বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

১৯৩৩ সালে ফ্রান্সের নিউলি-সুর-সিনে শহরতলিতে ফরাসি ভাস্কর পল বেলমন্দো ও শিল্পী সারাহ রেনু–রিচার্ডের ঘরে জন্ম নেন বেলমন্দো। পড়াশোনার থেকে খেলাধুলাতেই মনোযোগ ছিল বেশি। নেমে পড়েছিলেন বক্সিংয়ে। যদিও তিনি বিখ্যাত হয়ে যান অভিনয়ে।

default-image

নাটক দেখার শখ ছিল তাঁর। সেই সূত্র ধরে তিনি প্যারিস কনজারভেটরিতে ভর্তি হন ১৯৫২ সালে। এরপর থেকে অভিনয়ে নিজেকে মেলে ধরতে শুরু করেন। আর ফরাসি নবতরঙ্গ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন।

default-image

কিন্তু তাঁকে সবচেয়ে বেশি পরিচিতি এনে দিয়েছে ফরাসি নবতরঙ্গের অন্যতম সিনেমা ‘ব্রেথলেস’। জঁ লুক গদারের হাত ধরে মিশেল চরিত্রে অভিনয় করে ইতিহাস সৃষ্টি করেন বেলমন্দো। নিজেও একসময় বেড়ে উঠেছিলেন বোহেমিয়ান হিসেবে। আর মিশেল চরিত্রে সেই বেড়ে ওঠাকেই যেন মেলে ধরলেন।

default-image

ধীরে ধীরে যুক্ত হয়ে যান ফরাসি নব তরঙ্গ দলের সঙ্গে। পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে ফরাসি নবতরঙ্গ চলচ্চিত্রের তিনি ছিলেন পরিচিত মুখ।

তাঁর উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্য আছে ‘টু ওম্যান’, ‘আ ওম্যান ইজ আ ওম্যান’, ‘লিও মরিন, প্রিস্ট’, ‘লে ডুলোস’, ‘পিয়েরে লে ফু’।

default-image

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ টুইটবার্তায় জানিয়েছেন, বেলমন্দোর মৃত্যুতে ফ্রান্স ‘এক জাতীয় সম্পদ’ হারাল।

হলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন