বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

বেটি হোয়াইটের কাছের বন্ধু ও এজেন্ট জেফ উয়িজিস গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বেটির বয়স এক শ বছর হওয়ার কথা ছিল জানুয়ারিতে। আমার ধারণা শত বছর নয়, তিনি কর্ম দিয়ে চিরদিন দর্শকদের মধ্যে বেঁচে থাকবেন। ব্যক্তিগতভাবে আমি তাঁকে অনেক বেশি মিস করব। প্রাণিজগতের প্রতি ছিল তাঁর অগাধ ভালোবাসা। করোনার গত দুই বছর তাঁকে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। এই সময়গুলো পোষা প্রাণীর সঙ্গেই কাটাতেন।’ একটি বিজ্ঞপ্তিতে জেফ আরও বলেন, ‘আমার মনে হয় না বেটি কখনো মৃত্যুকে ভয় পেতেন। কারণ তিনি সব সময় তাঁর ভালোবাসা প্রিয় স্বামীর সঙ্গে থাকতে চাইতেন। তাঁর বিশ্বাস, মরে গেলে তাঁর স্বামী অ্যালেনের সঙ্গে আবার তাঁর দেখা হবে।’

default-image

স্কুলে পড়াশোনার সময়ে তাঁর বন্য প্রাণীর প্রতি ভালোবাসা জন্মে। চেয়েছিলেন সারা জীবন প্রাণী নিয়েই কাজ করবেন। পরে তিনি চেয়েছিলেন লেখালেখি করবেন। স্কুলে তাঁর লেখা নাটকে অভিনয়ের পর সিদ্ধান্ত নেন অভিনেত্রী হবেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৫ সালে স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেন বেটি হোয়াইট। ১৯৫১ সালে এ্যামি মনোনয়ন তাঁকে আলোচনায় নিয়ে আসে। ‘ম্যারি টেলা মরি’ কমেডি সিরিজে অভিনয় করে ১৯৭৫ সালে তিনি প্রথমবার এ্যামি জয় করেন। এরপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি। টানা অভিনয় করে গেছেন। ৯২ বছর বয়সেও তিনি এ্যামি মনোনয়ন পেয়ে চমকে দিয়েছেন।

default-image

বেটি হোয়াইট যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত অভিনেত্রী। ছিলেন উপস্থাপক। প্রযোজনায়ও নাম লিখিয়েছিলেন। একাধিক সিনেমায় কণ্ঠ দিয়েছেন। প্রায় আট দশকের কর্মজীবনে বেটি হোয়াইট দর্শকদের বিনোদন দিয়েছেন। কর্মের স্বীকৃতি হিসেবে পাঁচবার এ্যামি পুরস্কার জয় করেছেন। এ্যামিতে মনোনয়ন পেয়েছিলেন ১৬ বার। টেলিভিশনের জন্য আমেরিকান কমেডি পুরস্কার, স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড পুরস্কার, একটি গ্র্যামি পুরস্কার অর্জন করেন। চারবার গোল্ডেন গ্লোবে মনোনয়ন পেয়েছিলেন। টেলিভিশনে অবদানের জন্য ১৯৯৫ সালে টেলিভিশন হল অব ফেমে তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এ ছাড়া ডিজনি লিজেন্ড তালিকায় তার নাম রয়েছে। দ্য প্র্যাকটিস, সাডেনলি সুসান, হট ইন ক্লেভারল্যান্ডসহ একাধিক কাজ রয়েছে তাঁর ক্যারিয়ারে।

হলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন