বিজ্ঞাপন
default-image

পল ভারহোভেন, লিওঁ কারা, আসগর ফারহাদি, অ্যাপিচাটপং বিরাসেতাকুলসহ বিশ্বের তুখোড় সব নির্মাতাকে পেছনে ফেলে কান চলচ্চিত্র উৎসবের সর্বোচ্চ পুরস্কার জয়ী এই নারী নির্মাতাকে নিয়ে সারা বিশ্বের সিনেমাপ্রেমীদের আগ্রহ বাড়ছে। তিনি ফ্রান্সের একদমই তরুণ প্রজন্মের একজন নির্মাতা। যিনি চিত্রনাট্যের ওপর পড়াশোনা শেষ করেছেন। তাঁর বয়স মাত্র ৩৮ বছর। নিজের ছবির চিত্রনাট্য তাঁরই লেখা।

default-image

স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি ‘জুনিয়র’ দিয়ে তাঁর নির্মাণ ক্যারিয়ার শুরু। ২০১১ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবে ছবিটি জিতে নেয় ‘স্মল গোল্ডেন রেইল’ পুরস্কার। পরের বছর ২০১২ সালে ভার্জিল ব্রামলির সঙ্গে তৈরি করেন ‘মজ’ নামে একটি টেলিভিশন সিনেমা। ৪ বছর বিরতি দিয়ে ২০১৬ সালে তৈরি করেন প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘গ্রেভ’। এটি হরর ঘরানার সিনেমা। আর এতেই বাজিমাত। সেই বছর কানের ‘ক্রিটিকস উইক’ বিভাগের চারটি শাখায় সিনেমাটি মনোনয়ন পায়, জিতে নেয় ফিপরেস্কি পুরস্কার। সেবার প্রথম সিনেমা দিয়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেন তিনি। বিশ্বের বড় বড় গণমাধ্যমে ‘গ্রেভ’ নিয়ে রিভিউ বের হয়।

default-image

পাঁচ বছর পর দ্বিতীয় সিনেমা ‘তিতান’ দিয়ে আবার কানে পা রেখেছিলেন জুলিয়া দুকুরনো। এত দ্রুত তিনি পাম দ’র জিতবেন, এটা ছিল অকল্পনীয়। ‘তিতান’ সিনেমাটি অমীমাংসিত কিছু অপরাধের ঘটনা নিয়ে শুরু। হঠাৎ করেই ১০ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া ছেলেকে ফিরে পায় এক বাবা। ১ ঘণ্টা ৪৮ মিনিটের সিনেমাটির পরতে পরতে ছিল রহস্যে ঘেরা। সিনেমাটি নিয়ে ইতিমধ্যে শতাধিক রিভিউ প্রকাশিত হয়েছে। সিনেমাটির বাজেট ৫৭ লাখ ইউরো।

default-image
হলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন