মাসের পর মাস ধরে ধারাবাহিকে কাজ করা আর সম্ভব নয় মার্কের পক্ষে। পরিবারের ওপর এর একটা কুপ্রভাব পড়ে। সারাক্ষণ শুটিংয়ে পড়ে থাকলে স্ত্রী ও চার সন্তানের কী হবে? সন্তানদের কারও বয়স ১৮, ১৬, ১৩; কারও আবার ১২। ওয়ালবার্গ ব্যাপারটি খোলাসা করেছেন, ‘আমাকে সত্যিই যদি পর্দায় চান, বিশেষ কিছু নিয়ে আসুন। বাড়ি ছেড়ে, বাচ্চাদের ছেড়ে এসব হালকা কাজ করে লাভ নেই। অনেক ত্যাগ স্বীকার করে এসবে সময় দিতে হয়।’

এই মুহূর্তে ফাদার স্টু নামে একটি সিনেমার প্রচারণায় ব্যস্ত মার্ক। জীবনীভিত্তিক এ ছবিতে দেখা যাবে, একজন বক্সার কীভাবে ক্যাথলিক ধর্মযাজক হয়ে যান। ওয়ালবার্গ বলেন, ‘আমি মনে করি, এটি আমার জীবনের এক নতুন অধ্যায়। এখন থেকে এ ধরনের কাজগুলো করতে চাই, যেগুলো আসলে সত্যিই কাজের, যা মানুষকে সাহায্য করবে। আমি এসব কাজেই বেশি মনোযোগ দেব। তবে কেবল বিশ্বাসভিত্তিক বিষয়বস্তু নিয়েই পড়ে থাকব না। এমন কিছু করব, যা মানুষকে পথ দেখাবে। আশা করি, এ সিনেমা শুধু আমার নয়, হলিউডের অনেকের জন্য একটি নতুন দুয়ার খুলে দেবে।’

মার্কের কথাগুলো যদি সত্যি হয়, তাহলে তাঁর জন্য নির্মাতাদের খুঁজতে হবে অর্থপূর্ণ কিছু। নয়তো তিনি চলে যাবেন হলিউড ছেড়ে। সবাই তখন তাঁর অভাব অনুভব করবেন!