default-image

চরকিতে প্রতিষ্ঠিত পরিচালকদের কাজ যেমন সমাদৃত হয়েছে, তেমন নবীনদের কাজও আলোচিত ও প্রশংসিত হয়েছে। সাড়া ফেলেছে ‘শাটিকাপ’, ‘নিখোঁজ’, ফ্লিক হ্যাপি বার্থডেসহ বেশ কিছু কাজ। এসব কনটেন্ট দিয়ে দর্শক যেমন নতুনত্ব পেয়েছে, তেমনি কিছু অভিনেতা আলোচনায় এসেছে। এ ছাড়া দেশীয় কনটেন্টে চরকি নিয়ে এসেছে নতুনত্ব। এই সময়ে ‘ঊনলৌকিক’, ‘খাঁচার ভেতর অচিন পাখি’, ‘মরীচিকা’, ‘তিথির অসুখ’, ‘জাগো বাহে’, ‘টান’, ‘রেডরাম’, ‘গুণিন’, ‘পেট কাটা ষ’, একাধিক কাজ নিয়ে বছরজুড়ে দর্শকেরা তুমুল আলোচনা ও প্রশংসা করেছেন। চরকি অরিজিনাল কনটেন্টের পাশাপাশি বিদেশি ভাষার সিনেমা ও সিরিজ বাংলায় ডাব করে মুক্তি দেয়। ‘ওয়েটলিফটিং ফেইরি’, ‘লুকা’, ‘পিগ জেন’, ‘কিংস্লেয়ার’সহ আরও অনেক সিনেমা বাংলায় দেখে দর্শক পছন্দ করেছেন।

default-image

‘প্রতিবার নতুন কিছু করেছি, সমস্যায় পড়েছি, সমাধান খুঁজেছি, আবার নতুন কিছু করার চেষ্টা করেছি। এভাবেই আমরা শিখতে শিখতে এগিয়ে গিয়েছি। প্রথম থেকেই একটা বিষয় আমরা বিশ্বাস করতাম, স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের জন্য ভালো বা খারাপ কনটেন্ট বলতে কিছু নেই। সঠিক দর্শকের কাছে সঠিক কনটেন্ট পৌঁছে দেওয়াই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।’ কথাগুলো বলছিলেন চরকির ক্রিয়েটিভ প্রোডিউসার ও ফাউন্ডিং মেম্বার আল-আমিন হাসান। গল্পে গল্পে তিনি চরকির শুরুর দিকের নানা প্রতিকূলতা ও পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে আরও বলেন, ‘কনটেন্ট নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমরা যেমন একদিকে নতুনত্বকে প্রাধান্য দিয়েছি, অন্যদিকে সাধারণ দর্শকের জন্য নির্মল বিনোদনেরও ব্যবস্থা করেছি। এক বছর আগে যখন চরকির যাত্রা শুরু হয়, অনেকেই আমাদের প্রশ্ন করতেন, 'পারব তো? এখন মনে হচ্ছে, এই এক বছরে আমাদের নির্মাতা আর দর্শকেরাই সেই উত্তরটা দিয়ে দিয়েছেন।’

default-image

দেশীয় কনটেন্টের রাজধানী হওয়ার প্রত্যয় নিয়ে শুরু হয়েছিল চরকি। সেখানে দর্শকদের ভালোবাসা নিয়ে শুরু থেকে সেই পথ প্রসারিত হয়েছে। দেশের আর দেশীয় কনটেন্টকে প্রাধান্য দিয়ে তরতর করে এগিয়ে গিয়েছে। শুরুর সেই কথা তুলে ধরলেন চরকির আরেক সদস্য কনটেন্ট অফিসার আদর রহমান। যাত্রা শুরুর সময় থেকেই তিনি চরকির টিমে যুক্তর ছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমরা গুটিকয় মানুষ নিজেরাই কনটেন্ট, প্রোডাক্ট, মার্কেটিং, অ্যাক্টিভেশন সব সামলে সবার সামনে তুলে ধরেছিলাম এই প্ল্যাটফর্মটি। এত অল্প সময়ে আমাদের প্রচেষ্টা সবাই এতটা ভালোবেসে আপন করে নেবে, তা আমরা ভাবিনি। বিশ্বের বুকে বাংলা কনটেন্টের রাজধানী হিসেবে তুলে ধরব—এই প্রত্যয় নিয়েই মাঠে নেমেছিলাম। ভেবে ভালো লাগছে যে মাত্র এক বছরের মাথায় আমরা আমাদের সেই স্বপ্নের দিকে বেশ খানিকটা এগিয়ে গেছি। আরও অনেকটা পথ বাকি।’

default-image

দর্শকদের ভালোবাসায় মাত্র এক বছরেই চরকির ঝুলিতে এসেছে বেশ কিছু দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার। এই বছর মার্চ মাসে আয়োজিত আইসিটি ডিভিশন প্রেজেন্টস চ্যানেল আই স্ন্যাক কিপার ডিজিটাল মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড-২০২১–এ চরকি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ও শ্রেষ্ঠ ওয়েব সিরিজসহ মোট ৮টি পুরস্কার জিতেছে। সেই সঙ্গে মেরিল প্রথম আলো পুরস্কার ২০২১-এ সমালোচকের রায়ে সেরা তিনটি ও তারকা জরিপে একটি পুরস্কার জিতেছে। এক বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই চরকি ইন্টারন্যাশনাল নিউজ মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশন (ইনমা) আয়োজিত ‘গ্লোবাল মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডস ২০২২’-এ বিশেষ সম্মানে ভূষিত হয়েছে।

default-image

এ ছাড়া বাংলাদেশের প্রধান ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে চরকি ‘বেস্ট ইনিশিয়েটিভ টু অ্যাকুয়ার সাবস্ক্রাইবার’ ক্যাটাগরিতে সম্মানজনক এই স্বীকৃতি পেয়েছে; যা চরকির চলার পথকে আলোকিত ও অনুপ্রাণিত করবে বলে মনে করেন চরকির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা রেদওয়ান রনি। তিনি বলেন, ‘চরকি প্রথম এক বছরেই দর্শকদের যে ভালোবাসা পেয়েছে, যে সাফল্য ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে, তাতে আমরা ধন্য। এগুলো সম্ভব হয়েছে চরকির দুর্দান্ত সব কনটেন্টের কারণে। সেই সঙ্গে চরকির পুরো টিম, স্পনসর, শুভানুধ্যায়ীদের অবদানে চরকির পথচলা আরও সহজ ও সাবলীল হয়েছে। বাংলা কনটেন্টের রাজধানী হতে চরকি আরও দর্শকপ্রিয়তা পেতে থাকুক, দর্শক আরও ফিল্ম ফান ফুর্তিতে থাকুক—এই কামনা করি।’

default-image

চরকি ওয়েবসাইট www.chorki.com ও স্মার্ট টিভি, মোবাইল, ট্যাব, ল্যাপটপ যেকোনো ডিভাইস থেকে চরকি দেখা যায়। সেই সঙ্গে ১৯৮টি দেশ থেকে ৩১টা মুদ্রা (কারেন্সি) দিয়ে চরকির সাবস্ক্রিপশন কেনা ও উপভোগ করে সারা দুনিয়ার দর্শকেরা।

ওটিটি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন