default-image

প্রয়াত ব্যান্ড তারকা আইয়ুব বাচ্চুর সুরে প্রকাশিত হলো প্রেরণার গান ‘কাঁধে ভারী ব্যাগ’। ২০১৫ সালে এবি কিচেনে আইয়ুব বাচ্চুর সংগীত পরিচালনায় গানটি রেকর্ড করা হয়। তাঁর প্রয়াণের দ্বিতীয় বর্ষে ফেসবুকে গানটি প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
default-image

প্রেরণা শিল্পী দম্পতি কবির বকুল-দিনাত জাহান মুন্নীর বড় মেয়ে। গানটি লিখেছেন কবির বকুল। গানটি নির্মাণের প্রেক্ষাপট জানিয়ে স্মৃতিকাতর কবির বকুল বলেন, ‘স্কুলে পড়াকালীন প্রেরণাকে নিয়ে গিয়েছিলাম এবি কিচেনে। সে বাচ্চু ভাইয়ের সঙ্গে ছবি তুলল। সে বাচ্চু ভাইকে দুটো গানও শোনাল। বাচ্চু ভাই আমাকে বললেন, “ওর জন্য আমি গান করব। তুই লিখবি।” এভাবেই তৈরি হয়েছিল গানটি।’

বিজ্ঞাপন

মেয়ের গাওয়া গানটি প্রকাশ করে তিনি ফেসবুকে লিখেছেন, ‘২০১৫ সালের কথা। আমার বড় মেয়ে প্রেরণা তখন স্কুলে পড়ে। সে আইয়ুব বাচ্চু ভাইয়ের ফ্যান। একদিন আমাকে বলল, বাবা বাচ্চু আংকেলের সঙ্গে দেখা করতে নিয়ে চলো। মেয়েকে নিয়ে গেলাম এবি কিচেনে। সেদিন চন্দনা ভাবিও (বাচ্চু ভাইয়ের স্ত্রী) স্টুডিওতে ছিলেন। প্রেরণা বাচ্চু ভাইয়ের সঙ্গে ছবি তুলল। বাচ্চু ভাই জানতে চাইলেন, সে গান করে কি না। আমি বললাম, করে। তবে ইংলিশ নাম্বার বেশি। তিনি শুনতে চাইলেন। প্রেরণা ভয়ে ভয়ে গাইল “রোলিং ইন দ্য ডিপ”। বাচ্চু ভাই একটু শুনেই প্রেরণাকে থামিয়ে দিলেন। এরপর গিটার হাতে নিয়ে বাজাতে বাজাতে বললেন, এবার গা। প্রেরণা পরপর দুটো গান শোনানোর পর বাচ্চু ভাই আমাকে বললেন, ওর জন্য আমি গান করব। ওর অ্যালবাম করার দায়িত্ব আমার, তুই লিখবি। কালই বসব। পরদিন তিনি নিজেই আমাকে ফোন করে জানতে চাইলেন, কখন আসবি। আমি বললাম, সাতটায়। সন্ধ্যায় চলে গেলাম এবি কিচেনে। এক সিটিংয়ে চারটা গানের মুখ সুরসহ তৈরি হলো। আর একটি সম্পূর্ণ গান ‘কাঁধে ভারী ব্যাগ’। গানটির মিউজিক ট্র্যাক করে প্রেরণাকে গানটি তুলে দিলেন। একদিন পরই প্রেরণা প্রথম মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়াল, গানটি গাইল। দীর্ঘদিন এই গান ফিতাবন্দী হয়েই ছিল। প্রেরণার আরেকবার ভয়েস দেওয়ার কথা ছিল, সেটি আর হয়ে ওঠেনি। সেই গানটি পাঁচ বছর পর প্রকাশ করলাম বাচ্চু ভাইয়ের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।’

গান প্রকাশের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে প্রেরণা বলল, এত দিন পর গানটি প্রকাশিত হওয়ায় খুব ভালো লাগছে তার। এদিনে প্রিয় বাচ্চু আঙ্কেলের অভাব বোধ করছে সে। গীতিকবির ফেসবুক ওয়ালে প্রকাশিত গানটির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ অ্যানিমেশন করেছেন নুরুন্নবী চৌধুরী।

মন্তব্য পড়ুন 0