বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

স্বপ্নপূরণের লক্ষ্যে ১৯ বছর বয়সে আরুজ আফতাব পাড়ি জমান মার্কিন মুলুকে। তারপর লেখাপড়া করেন বোস্টনের বিখ্যাত বার্কলে স্কুল অব মিউজিকে মিউজিক্যাল প্রোডাকশন আর ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে। পাঁচ বছর পর চলে আসেন নিউ ইয়র্কে। সেখানে কাজ শুরু করেন সম্পাদক হিসেবে। তারপর ২০১৪ সালে আসে প্রথম মিউজিক অ্যালবাম ‘বার্ড আন্ডার ওয়াটার’। তাঁর গান মূলত প্রাচীন সুফিনির্ভর, পাশাপাশি থাকে লোকসংগীত ও জ্যাজের মিশেল।

default-image

আরুজ আফতাবের ‘মোহাব্বত’ গান নাড়িয়ে দিল সংগীতের বিশ্বমঞ্চকে। জিতে নিলেন তাঁর জীবনের প্রথম গ্র্যামি। গ্লোবাল মিউজিক বিভাগে ‘মোহাব্বত’ গানের জন্য পুরস্কার জিতে নেন পাকিস্তানের এই শিল্পী। বর্তমানে নিউ ইয়র্কের বাসিন্দা এই সুরকারের জয়ে গর্ব অনুভব করছে এশীয় দেশগুলো। শুধু প্রথম নারী নয়, প্রথম পাকিস্তানি হিসেবে তিনি এই সম্মান পেলেন। এর আগে পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী ওস্তাদ নুসরাত ফতেহ আলী খান ১৯৯৬ সালে গ্র্যামিতে মনোনয়ন পেয়েছিলেন, কিন্তু পুরস্কার পাননি।
গ্র্যামি জিতে মঙ্গলবার আরুজ আফতাব তাঁর টুইটারে লিখেছেন, ‘গ্র্যামিতে এটি অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক একটি বিভাগ। এখানে মনোনীত প্রার্থী সবাই বেশ সম্মানিত ও কিংবদন্তিতুল্য। জয়ের জন্য আমি সবার কাছে কৃতজ্ঞ। এটি উর্দু গান। আর এই গানই আমার জীবনে বিরাট সাফল্য এনে দিয়েছে।’

default-image

প্রসঙ্গত, গত রোববার স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৮টায় যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসের এমজিএম গ্র্যান্ড গার্ডেনে গ্র্যামির ৬৪তম এই আসর বসে। সেখানে ২৬টি বিভাগের ৮৬টি শাখায় দেওয়া হলো বিশ্বসংগীতের সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডস। আর এতে গ্লোবাল মিউজিক বিভাগে ‘মোহাব্বত’ গানের জন্য পুরস্কার জিতে নেন পাকিস্তানের শিল্পী আরুজ আফতাব।

গান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন