ডেইলি মেইল-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, রিয়ানা বার্বাডোজের দ্বিতীয় নারী, যাঁকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হলো। এর আগে ধর্মীয় নেতা সারা অ্যান গিলকে এই উপাধি দেওয়া হয়েছিল। তিনি মারা যান ১৮৬৬ সালে। শুধু তা-ই নয়, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে রিয়ানা ছাড়া জাতীয় বীরে ভূষিত হওয়া আর একজনই কেবল বেঁচে আছেন, তিনি ৮৫ বছর বয়সী ক্রিকেটার স্যার গারফিল্ড।

২০১৯ সালে ফোর্বস ঘোষণা করে, রিয়ানা শীর্ষ নারী ধনী সংগীতশিল্পী। তখন তাঁর সম্পদের পরিমাণ ছিল ৬০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁকে বিলিয়নিয়ার ঘোষণা করা হয়। তিনি অন্যতম শীর্ষ ধনী নারী সংগীতশিল্পী। এখন তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ আনুমানিক ১.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর এই সম্পদের বেশির ভাগই এসেছে তাঁর ফেন্টি বিউটি কসমেটিকস লাইন থেকে।

default-image

ব্রিটেনের রানিকে সরকারপ্রধানের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে প্রজাতন্ত্র হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল বার্বাডোজ। গত সোমবার মধ্যরাতে রাজধানী ব্রিজটাউনের চেম্বারলিন ব্রিজে হাজির হন হাজার হাজার মানুষ। তাঁরা উল্লাস প্রকাশ করে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতাকে বিদায় জানান। নতুন একটি প্রজাতন্ত্র হিসেবে যাত্রা শুরু করে বার্বাডোজ। বার্বাডোজের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন সান্দ্রা মাসুন।

গান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন