বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

সেখান থেকেই লাইভে এলেন ফাহমিদা নবী, ‘আমি কী পাব, আমার কী পাওয়ার আছে, আমি কী পেতে চাই, তার চেয়েও বড়, আমি কী দিতে পারি। কোনো কাজের বিনিময়ে কিছু পেতে হবে, এ ধারণা থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। কাজের মধ্যে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে হবে। মানসিক সংকটে ভোগা যাবে না। অনেক সময় মানুষ ভাবেন, “আমি কী পারব, আমাকে দিয়ে কী হবে।” এসব চিন্তায় অনেককে দেখেছি ভয় পেতে। এ ভয় একটা অসুস্থতা।’

default-image

একটা সময় অনেক মানুষ ভাবেন, “আমাকে দিয়ে বোধ হয় আর কিছুই হবে না।” এই ‘বোধ হয়’ শব্দটিই জীবন থেকে বাদ দিতে হবে। ভয়কে জয় করতে হবে। তাহলে সবার মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। এমন কথা উল্লেখ করেন তিনি বলেন, ‘পৃথিবীতে এমন অনেক মানুষ রয়েছেন, যাঁদের উদ্দীপিত করার মতো কেউ নেই। তাঁরা নিজেরাই নিজেকে উদ্দীপিত করে এগিয়ে যাচ্ছে। আমি মাঝে খুবই অসুস্থ ছিলাম। এখন ভালোর দিকে। সেই সময়ে আমিও নিজেকে উদ্দীপিত করেছি। কারণ, আমি যতই ভাবব, ততই আমার অসুস্থতা বাড়বে। আমার জন্য পাশের মানুষ অসুস্থ হয়ে যাবে। আমার ওপর অনেক মানুষ নির্ভর করে থাকে। আমার অসুস্থতা মানে তাদের দুর্বল করে দেওয়া। এটা থেকে বেড়িয়ে আসার একমাত্র উপায়, ভয়কে জয় করা। প্রত্যেক মানুষের মধ্যেই কিছু না কিছু আলাদা গুণ আছে। সেই গুণ দিয়েই প্রত্যেক মানুষ জীবনকে সুন্দর করতে পারে। কারণ, এই ব্যস্ত শহরে কারও দিকে তাকানোর সময় কারও নেই। সবাইকে ভালো থাকার চেষ্টা করতে হবে।’

default-image

ফাহমিদা জানালেন, বর্তমানে তিনি যক্ষ্মা নিয়ে কাজ করছেন। তিনি বলেন, ‘দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত এ সেবা দেওয়া হচ্ছে। যক্ষ্মা আছে কি না, এমন অনেক শিশুকে খুঁজে বের করতে হচ্ছে। শিশুর যক্ষ্মা আছে কি না, অনেকে তা বুঝতেই পারে না। তাদের খুঁজে চিকিৎসার আওতায় আনা হচ্ছে।’ মানবিক এ কাজ তাঁকে সব সময় অনুপ্রেরণা দেয়।
এখন একটি অ্যালবামের কাজ নিয়ে ব্যস্ত এই গায়িকা। ইতিমধ্যে বেশ কিছু গানে কণ্ঠ দিয়েছেন, আরও কিছু গানের পরিকল্পনা আছে তাঁর।

গান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন