বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কুদ্দুস বয়াতি বলেন, ‘তিনি আমার জ্ঞানগুরু। ডেকে নিয়ে গান করাতেন। সারা রাত গল্প করতেন। আমাকে বলতেন তোমার গ্রামের মেয়েরা কীভাবে ঝগড়া করে দেখাও তো। কোন কথাটা গ্রামের লোকেরা কীভাবে বলে, সেসব আমার অভিনয় করে তাঁকে দেখাতে হতো।’ বাংলাদেশ সরকার যখন প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করল, এর প্রচারণার জন্য হুমায়ূন আহমেদ ডেকে পাঠালেন কুদ্দুস বয়াতিকে। বললেন, ‘তুমি হ্যামিলিনের বাঁশিওয়ালার মতো বাঁশি বাজিয়ে বাচ্চাদের স্কুলে নিয়ে যাবে।’ বয়াতি বললেন, ‘আমি লেখাপড়া জানি না! কোনো দিন স্কুলের সামনে দিয়েও যাইনি। আমাকে দিয়ে শিক্ষার কাজ করাবেন!’ হুমায়ূন আহমেদ বললেন, ‘এই জন্যই তুমি করবা। শিক্ষা যে কত জরুরি, এইটা তুমি বললেই লোকের ভালো লাগবে। শিক্ষা না থাকলেও তুমি শিক্ষা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করবা। হ্যামিলিনের বাঁশিওয়ালা বাচ্চাদের নিয়ে পালিয়ে গেছে, তুমি নিয়ে যাবা স্কুলে।’

default-image

কুদ্দুস বয়াতি বলেন, ‘স্যার লিখলেন, আমি সুর করে গাইলাম, “এই দিন দিন নয় আরও দিন আছে, এই দিনেরে নিবে তারা সেই দিনেরও কাছে”।’ জন্মদিনে হুমায়ূন আহমেদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কুদ্দুস বয়াতি বলেন, ‘প্রতিভা অনেকেরই থাকে, কিন্তু কারও প্রতিভা বিকশিত হয়, কারও হয় না। একজনের হাত ধরে আরেকজন ওঠে। প্রতিভাবানদের বিকাশের জন্য যাঁরা কাজ করেছেন, তাঁদের মধ্যে হুমায়ূন স্যার গুরুত্বপূর্ণ একজন।

গান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন