বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘ফকির আলমগীর গান গেয়ে দেশের মানুষের মনে প্রাণের সঞ্চার করতেন। বিভিন্ন ইস্যুতে তাঁর প্রতিবাদী কণ্ঠ ছিল চোখে পড়ার মতো। মারা যাওয়ার আগে তিনি একবার আমার কাছে এসেছিলেন, এ ধরনের একটি অনুরোধও করেন। আমিও তাঁকে আশ্বস্ত করেছিলাম, বোর্ড সভায় আপনার প্রস্তাব আমরা ওঠাব। করোনার কারণে বোর্ড সভা বারবার পিছিয়ে যায়। সবকিছু স্বাভাবিকভাবে চালু হওয়ার পর প্রথম বোর্ড সভায় আমরা ফকির আলমগীরের নামে সড়কের সিদ্ধান্ত নিই। এটা করতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি।’

default-image

ফকির আলমগীর ষাটের দশক থেকে সংগীতচর্চা করেছেন। গান গাওয়ার পাশাপাশি বংশীবাদক হিসেবেও তাঁর খ্যাতি ছিল। বাংলাদেশের সব ঐতিহাসিক আন্দোলনে তিনি তাঁর গান দিয়ে মানুষকে উজ্জীবিত করার চেষ্টা করেছেন। তিনি ১৯৬৬ সালে ছাত্র ইউনিয়নের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় ক্রান্তি শিল্পীগোষ্ঠী ও গণশিল্পীগোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে ষাটের দশকে বিভিন্ন আন্দোলন–সংগ্রামে এবং উনসত্তরের গণ–অভ্যুত্থানে গণসংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। উনসত্তরের গণ–অভ্যুথান, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ও নব্বইয়ের স্বৈরাচার শাসনবিরোধী গণ–আন্দোলনে তিনি শামিল হয়েছিলেন তাঁর গান নিয়ে।

গান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন