স্টুডিওতে ছেলে হাবিব ওয়াহিদের সঙ্গে বাবা ফেরদৌস ওয়াহিদ
স্টুডিওতে ছেলে হাবিব ওয়াহিদের সঙ্গে বাবা ফেরদৌস ওয়াহিদছবি : প্রথম আলো।

গত মাসের শেষ তিন দিন গায়ে জ্বর, হালকা ব্যথা ও খুসখুসে কাশিতে ভুগছিলেন সময়ের জনপ্রিয় গায়ক ও সংগীতপরিচালক হাবিব ওয়াহিদ। কিন্তু বিষয়টিকে খুব একটা আমলে নিচ্ছিলেন না তিনি। বাবা ফেরদৌস ওয়াহিদ জানতে পারার পর তাঁকে ফুসফুসের সিটি স্ক্যান করানোর পরামর্শ দেন। প্রতিবেদন হাতে পেলে তিনি জানতে পারেন, তাঁর ফুসফুসের ৩৫ ভাগ সংক্রমিত। চিকিৎসকের ভাষায় এটি কোভিড নিউমোনিয়া। আজ রোববার দুপুরে ছেলে হাবিব ওয়াহিদের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে প্রথম আলোকে এভাবেই বললেন বরেণ্য সংগীতশিল্পী বাবা ফেরদৌস ওয়াহিদ।

default-image

ফেরদৌস ওয়াহিদ জানালেন, ‘ফুসফুসের সিটি স্ক্যান রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর আমাদের পারিবারিক চিকিৎসকের সঙ্গে কথা হয় হাবিবের। তাঁর পরামর্শে রাজধানীর মহাখালীর ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। চিকিৎসকেরা তাঁর ওষুধের একটা কোর্স সম্পন্ন করতে চাইছেন। তাই হাবিবকে হাসপাতালে থাকতে হচ্ছে। এখন সেভাবে কোনো ধরনের সমস্যা নেই। ফুসফুসের সংক্রমণও কমে এসেছে। কেবিনে আছে। ভালো আছে।’

বিজ্ঞাপন

তিনি বললেন, ‘খুসখুসে কাশির কারণে আমার একটু সন্দেহ হয়। এর মধ্যে আবার জ্বর এবং গায়ে ব্যথা। করোনার উপসর্গ মনে করেই তাঁকে নিয়ে চিন্তায় পড়ে যাই। সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমত, পরীক্ষায় কোভিড ১৯ ধরা পড়েনি।’

default-image

স্বাভাবিক খাওয়াদাওয়া কি করতে পারছেন হাবিব ওয়াহিদ? এমন প্রশ্নে ফেরদৌস ওয়াহিদ বললেন, ‘ওসবে কোনো সমস্যাই হচ্ছে না। সব ধরনের স্বাভাবিক খাবার খাচ্ছে। ও তো বাসায় চলে আসতে চাইছিল। কিন্তু ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে আরও তিনটা দিন পর্যবেক্ষণে রেখে ইনজেকশনের কোর্সটা শেষ করাতে চায়। তাই এই সময় পর্যন্ত হাবিবকে হাসপাতালে থাকতে হচ্ছে।’

গত বছরের আগস্টে করোনায় আক্রান্ত হয়ে লম্বা সময় ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন ফেরদৌস ওয়াহিদ। বেশ কয়েক দিনের চিকিৎসাসেবায় তিনি করোনামুক্ত হয়ে বাসায় ফেরেন। এখন তিনি বেশির ভাগ সময় মুন্সিগঞ্জে গ্রামের বাড়িতে থাকেন। মাঝেমধ্যে ঢাকার বাসায় আসেন।

default-image

গায়ক ও সংগীত পরিচালক হাবিব ওয়াহিদ এখন নিজের মতো করে গান প্রকাশ করছেন। নিজের ইউটিউবের জন্য তিনি এসব গান তৈরি করে থাকেন। বছরের শুরুতে হাবিব ওয়াহিদ আলোচনায় আসেন নতুন করে বিয়ের সম্পর্কে জড়িয়ে। ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে হাবিব এ বছরের জানুয়ারিতে লিখেছিলেন, ‘আমার ব্যক্তিগত জীবনে হঠাৎ ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা আপনাদের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে চাই। সম্প্রতি বিয়ে করলাম। স্ত্রীর নাম আফসানা চৌধুরী (শিফা)। আপনারা সবাই জানেন বৈশ্বিক মহামারির কারণে সারা বিশ্ব বর্তমানে খুব খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তাই বিয়ের অনুষ্ঠানটি খুব সীমিত রাখা হয়েছে।’

বিজ্ঞাপন
গান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন