default-image

কথা, গান, আবৃত্তি ও নৃত্যে স্মরণ করা হবে সদ্য প্রয়াত রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী মিতা হককে। আজ রাত ৯টায় অনলাইনে তাঁকে স্মরণের আয়োজন করেছে জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ। দীর্ঘদিন প্রতিষ্ঠানটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা শিল্পী মিতা হক করোনাপরবর্তী জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে ১১ এপ্রিল মারা যান।

আজ রোববার অনলাইনে আয়োজিত ‘বন্ধু রহো রহো সাথে’ স্মরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন সন্‌জীদা খাতুন, আসাদুজ্জামান নূর, সারওয়ার আলী, মফিদুল হক, রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, ইখতিয়ার ওমর, সিরাজুস সালেকিন, সাদি মহম্মদ, শ্রীকান্ত আচার্য (ভারত), মহিউজ্জামান চৌধুরী, খায়রুল আনাম শাকিল, ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়, শর্মিলা বন্দ্যোপাধ্যায়, মঞ্জুরুল আলম, বুলবুল ইসলাম, এ বি এম খুরশিদ আলম, আকলিমা খাতুন ইরা, লাইসা আহমদ লিসা, ইলোরা আহমেদ শুক্লা, নন্দিতা ইয়াসমিন, সুস্মিতা আহমেদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানটিতে যোগ দেওয়া যাবে সম্মিলন পরিষদের ফেসবুক পেজ থেকে।

বিজ্ঞাপন
default-image

মিতা হকের জন্ম ১৯৬২ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকায়। তিনি প্রয়াত অভিনেতা খালেদ খানের স্ত্রী। তাঁর চাচা দেশের সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অগ্রপথিক ও রবীন্দ্র গবেষক ওয়াহিদুল হক। তিনিই মিতা হকের প্রথম শিক্ষক। পরে ওস্তাদ মোহাম্মদ হোসেন খান ও সন্‌জীদা খাতুনের কাছে গান শেখেন তিনি। মিতা হক বাংলাদেশ বেতারের সর্বোচ্চ গ্রেডের তালিকাভুক্ত শিল্পী ছিলেন। ১৯৯০ সালে বিউটি কর্নার থেকে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম রবীন্দ্রসংগীতের অ্যালবাম ‘আমার মন মানে না’, সংগীতায়োজন করেছিলেন সুজেয় শ্যাম। দুই শতাধিক রবীন্দ্রসংগীতে কণ্ঠ দিয়েছেন মিতা হক। এককভাবে মুক্তি পেয়েছে তাঁর মোট ২৪টি অ্যালবাম। এর ১৪টি ভারত থেকে ও ১০টি বাংলাদেশ থেকে। তিনি ২০১৬ সালে শিল্পকলা পদক লাভ করেন। সংগীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাঁকে ২০২০ সালে একুশে পদক প্রদান করে। ‘সুরতীর্থ’ নামে একটি গানের স্কুলও রয়েছে তাঁর।

একসময় ছায়ানটের রবীন্দ্রসংগীত বিভাগের প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন মিতা হক। তিনি রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদের সহসভাপতিও ছিলেন। মিতা হক পাঁচ বছর ধরে কিডনি রোগে ভুগছিলেন। নিয়মিত ডায়ালাইসিস নিয়ে ভালো ছিলেন তিনি। তবে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মানসিক ও শারীরিকভাবে বেশ দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন তিনি।

গান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন