বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গানের গল্পটা ভীষণভাবে কুমার বিশ্বজিতের মনকে নাড়া দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে কুমার বিশ্বজিৎ বলেন, ‘এখন দেশে ব্রোকেন ফ্যামিলি বেড়ে যাচ্ছে। পিতামাতারা বিচ্ছেদের পরে নতুন সংসার করে। কিন্তু ভুক্তভোগী হয় শিশুরা। সে কোন পক্ষে যাবে?

default-image

সামাজিকভাবে আমরা এখন বিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। এখন সারা বিশ্বে এক সংস্কৃতি হয়ে গেছে। আমাদের মা–বাবা একসঙ্গে সংসার করে গেছেন। কিন্তু এখনকার জেনারেশনের অনেকেই তা করছে না। এগুলো প্রতিনিয়ত আমাদের ফেস করতে হচ্ছে। এই নিয়ে গান। থিমটি আমার খুবই ভালো লেগেছে।’

default-image

কুমার বিশ্বজিৎ বলেন, ‘বড়–ছোট যা–ই বলি, মানুষের সুকুমারবৃত্তি জাগিয়ে তোলে সংগীত। এখন এই সুকুমারবৃত্তি থেকে আমরা ভিন্ন দিকে চলে যাচ্ছি। যে কারণে সংগীতের মননশীলতার দিকগুলো ক্রমেই কমে যাচ্ছে। এটাকে অন্য ব্যবসার সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। ফলে বোধগুলো চলে যাচ্ছে। শুধু শিশুদের জন্যই নয়, ভালো গানের জন্য যে পৃষ্ঠপোষকতা করছে, যে গাইছে, যে লিখছে, তাদের মধ্যে সবার আগে বোধগুলো জন্মাতে হবে।’

default-image

কুমার বিশ্বজিৎ আরও বলেন, ‘বিশ্বায়নের যুগে বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে মূল জায়গা থেকে সরে যাচ্ছি। এখন গানের লোকেশন, মডেল, চাকচিক্যের দিক বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে। সেখানে শিশু–কিশোরদের নিয়ে গান করার কথা কে ভাববে। এখন বৃত্তের বাইরে কেউ যাচ্ছে না। দলছুট হওয়ার কারও সাহস নেই। গানের সব ধরন একই রকম হয়ে যাচ্ছে।’

গান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন