বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও বার্তায় এই দুই গুণী প্রবীণ শিক্ষকের অবদান তুলে ধরেন ছায়ানটের সভাপতি সংগীতজ্ঞ সনজীদা খাতুন। তিনি বলেন, ছায়ানটের যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৬৩ সালের পয়লা বৈশাখে। তার অল্প কিছুদিন পর তবলাশিক্ষক হিসেবে মদনগোপাল দাস যোগ দেন। তিনি প্রায় ৫০ বছর ধরে ছায়ানটে তবলাশিক্ষক হিসেবে শিক্ষকতা করে বহু কৃতি ছাত্র ও ছাত্রীকে গড়ে তুলেছেন। অন্যদিকে সতীন্দ্রনাথ হালদার রাগসংগীতের শিক্ষক হিসেবে ছায়ানটে ২৫ বছরের বেশি সময় শিক্ষকতা করেছেন। তিনিও বহু ছাত্রছাত্রীকে রাগসংগীতের সৌন্দর্যের প্রতি আকৃষ্ট করেছেন। তাঁর সূত্রে অনেকেই রাগসংগীত শিক্ষা করেছেন। এই দুই গুণী শিক্ষককে এবারের উৎসব উৎসর্গ করতে পেরে ছায়ানট আনন্দিত।

default-image

প্রথম অধিবেশনের পরিবেশনার শুরু হয়েছিল সম্মেলক কণ্ঠে ভূপালী রাগের খেয়াল দিয়ে। প্রথম অধিবেশনের সব পরিবেশনাই ছিল কণ্ঠসংগীতের। সম্মেলকের পর শ্রী রাগে ধ্রুপদ গেয়ে শোনান অভিজিৎ কুণ্ডু। ইমন রাগে খেয়াল গেয়েছেন স্বয়ম সৌকর্য। খায়রুল আনাম শাকিল গয়েছেন শুদ্ধ কল্যাণে, দীপ্র নিশান্ত গেয়েছেন রাগ কৌশিকধ্বনি। শেখর মণ্ডল গেয়েছে রাগেশ্রী রাগে। বাগেশ্রীতে গেয়েছেন অনিন্দিতা সাহা। মালকোষ শুনিয়েছেন দেবাশীষ শর্মা এবং শেষে ছিল রেজওয়ান আলীর পরিবেশনা। এ আয়োজন শেষ হয় রাত সাড়ে ১০টায়। সঙ্গত করেছেন তবলায় প্রশান্ত ভৌমিক ও ইফতেখার আলম, হারমোনিয়ামে বিজনচন্দ্র মিস্ত্রী, মিনহাজুল হাসান, ইমন ও টিংকু শীল।

default-image

কাল শুক্রবার সমাপনী দিনে দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হবে সকাল ৯টায়, চলবে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। এতে থাকবে কণ্ঠসংগীত, বেহালা ও বাঁশিবাদন। তৃতীয় তথা শেষ অধিবেশন শুরু হবে বিকেল চারটায়। এতে কণ্ঠসংগীত ছাড়া থাকবে তবল লহরা ও সেতারবাদন। শুদ্ধসংগীতের অনুরাগীদের জন্য উৎসব উন্মুক্ত।

গান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন