default-image

আসিফ তাঁর ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘আজ আমার ক্ষুদ্র জীবনের ঐতিহাসিক দিন। বেগম সালমা আসিফ আর আমার ত্রিশতম বিবাহবার্ষিকী। এই তো সেদিনের কথা, উনিশ বছর বয়সে ভালোবেসে বিয়ের দিন আজ। সব হিসেব–নিকেশের গুল্লি মেরে একসঙ্গে বেঁচে থাকার সংগ্রামে বিজয়ী হয়েছি আমরা। আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো–মন্দ মিলিয়ে সংসার সংগ্রামে এখনো সমুন্নত আছি।’ স্ত্রীর সঙ্গে ছবি পোস্ট করে আরও লিখেছেন, ‘আমার তিন সন্তান রণ, রুদ্র আর একমাত্র মেয়ে রঙ্গনের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই আন্তরিক ঈদ মোবারক।’

default-image

৩০ বছর আগে আসিফের প্রেমে পড়েছিলেন সালমা আসিফ। সেই আসিফ তখন জনপ্রিয় হননি। ছিলেন ক্রিকেটার। যার খেলার ভক্ত ছিলেন প্রেমিকা। এ যেন সিনেমার মতো এক গল্প। তার পরের অংশ যেন সিনেমাকেও হার মানায়। কারণ, তাঁদের তরুণ দুটি মনের এক হতে অনেক পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। আসিফ এক সাক্ষাৎকারে আগে জানিয়েছিলেন, তাঁদের পরিচয়টা আরও অনেক আগে। সেই সময় আসিফের খেলার একমাত্র মেয়ে দর্শক ছিলেন সালমা মিতু। ১৯৯০ সালে তাঁদের প্রেম চূড়ান্ত রূপ নেয়। এর মধ্যে কিছু অঘটনও ঘটে। সেসব তোয়াক্কা না করেই জুলাই মাসের ৮ তারিখ বিকেল পাঁচটায় অজানা এক ভবিষ্যতের মুখোমুখি হন তাঁরা। দুই দিন পরে তাঁরা বিয়ে করেন।

default-image

আসিফের স্ত্রী মিতু এর আগে বিবাহবার্ষিকী নিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাসে জানিয়েছিলেন, ‘আসিফ আকবরের সঙ্গে যখন প্রেম করি, তখন এ যুগের মতো চিন্তা করিনি। চিন্তায় ছিল—মানুষটাকে প্রচণ্ড ফিল করি, না-দেখলে মন তো মন, শরীরও অসুস্থ হয়ে পড়ে। চোখের আড়াল হলেই এই অনুভব প্রতিটি মুহূর্তে শূন্যতার সৃষ্টি করত।’ তিনি লিখেছিলেন, ‘কেউ ভালো বলুক আর না–ই বলুক, কেউ ভালোবাসুক আর না–ই ভালোবাসুক, থাকতে চাই আমৃত্যু। দুঃখগুলো হোক শুধু, শুধুই আমার, একান্ত আমার। কোনো কষ্ট যেন তোমায় না স্পর্শ করে, করে শুধুই আমায়। আর পৃথিবীর সমস্ত আনন্দ, সুখ, ভালোবাসা হোক শুধুই তোমার আসিফ, শুধুই তোমার । আনন্দঘন মুহূর্তে ভরে থাকুক তোমার একান্ত তোমার সময়। মিতু শুধু তোমারই শুধু তোমারই।’

গান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন