default-image

কনসার্ট শুরু হলো। চিরকুট সময় পেল মাত্র ২০ মিনিট। দর্শকদের মধ্যে প্রায় চার–পাঁচ হাজার বাঙালি ছিল, বাকিরা বিদেশি। ‘ধনধান্য পুষ্পভরা’ গানটা দিয়ে শুরু করে চিরকুট। সম্ভবত সেটাই ছিল সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্ত। পরিবেশনার ফাঁকে সুমি আপার ভাঙা ভাঙা ইংরেজিতে কথা বলা। তিনি বলছিলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা ভালো ইংরেজি বলতে পারি না। আমরা এখানে এসেছি ১৯৭১ সালে যাঁরা আমাদের জন্য গান গেয়েছিলেন, সেই বন্ধুদের স্মরণে, আমরা আবার এসেছি তোমাদের জন্য গান গাইতে।’ আমি যতদূর শুনেছি, কনসার্টের জন্য চিরকুটকে বেছে নিয়েছে স্করপিয়ন্স। চিরকুটের ব্যতিক্রমী কিছু ব্যাপার ছিল, যা তাদের আকর্ষণ করেছে। সত্যিই এ ব্যান্ডের একটা স্বাতন্ত্র্য ও বিশ্বের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা আছে।

default-image

এমন নয় যে আমি হার্ড রকের ভক্ত। ছোটবেলা থেকে স্করপিয়ন্সের গান শুনে বড় হয়েছি। আশির দশকে আমার বন্ধুরাও স্করপিয়ন্স শুনত। জীবনের প্রথম যে ক্যাসেটটায় গান রেকর্ড করি, সেটার প্রথম গানই ছিল ‘উইন্ড অব চেঞ্জ’। তখন রেইনবোতে রেকর্ড করতাম।

default-image

ছোটবেলার সেই স্করপিয়ন্সকে আমি সামনে থেকে দেখছি, শুনতে পাচ্ছি, সেটা আমার জন্য রোমাঞ্চকর, জীবনের অসাধারণ একটা অভিজ্ঞতা। ক্লাউস মাইনেকে ছোটবেলা থেকেই দেখছি। ৩০ বছর পর তাঁকে সামনে থেকে দেখতে পাওয়া অনেক বড় ব্যাপার।

default-image

স্করপিয়ন্স এ কনসার্টে ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’–এর কোনো গান গায়নি। কারণ, গানগুলো গাওয়ার অনুমতি নেই তাদের। কিন্তু নিজেদের গানের ফাঁকে ফাঁকে তারা যখন বাংলাদেশের কথা বলছিল, এত ভালো লাগছিল যে বলে বোঝানো যাবে না। গানের ফাঁকে যখন তারা ‘বাংলাদেশ উই লাভ ইউ’ বলে উঠছিল, তখন মিলনায়তনের দর্শকেরা চিৎকার করে উঠছিল। সেটাও আরেকটি সুন্দর মুহূর্ত।

গান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন