এক দশক আগে মাত্র ১৫ বছর বয়সে একটা গানের রিয়েলিটি শোতে অংশ নিয়েছিলেন গানপাগল হ্যারি স্টাইলস। তারপর বদলে গেল তাঁর জীবন। শুরু হলো ‘ওয়ান ডিরেকশন’ ব্যান্ডের যাত্রা, যাকে ইংরেজিতে বলা হয় দ্য বিগেস্ট সেলিং ব্যান্ড অব অল টাইম। হ্যারি এখন ২৬-এ, আর তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৭৩১ কোটি টাকা।

default-image

ব্রিটিশ গানের রিয়েলিটি শো ‘এক্স ফ্যাক্টর’–এর সাবেক প্রতিযোগী হ্যারি আসর শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। সেদিন গাড়ির তেল ফুরিয়ে যাওয়ায় তিনি থেমেছিলেন একটা পেট্রলপাম্পে। গাড়ি থেকে বেরিয়ে একটু হেলান দিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। হঠাৎ দেখেন, আশপাশে লোকজন জড়ো হয়ে গেছে। কেউ কেউ বলছেন, ‘তুমি হ্যারি না? তুমি তো দারুণ গাও’, ‘একটা অটোগ্রাফ হবে?’ হ্যারি কী বলবেন, কী করবেন, বুঝতে পারছিলেন না। সেই প্রথম তাঁর মনে হয়েছিল, তিনি যেন আর সাধারণ কেউ নন। তিনি ‘স্টার’!
সেই প্রথম, আর সেই শেষ। এরপর আর কখনোই নিজেকে তারকা মনে হয়নি হ্যারির।

default-image
বিজ্ঞাপন

এসব তিনি নিজেই বলেছেন ‘দ্য ফাইন লাইন’ সাক্ষাৎকারে। এখন হ্যারি যুক্তরাষ্ট্র আর যুক্তরাজ্য দুই দেশেরই ফ্যাশন আইকন। ইনস্টাগ্রামে ৩ কোটি ৬২ লাখের বেশি ফলোয়ার তাঁর। সংগীতশিল্পী ও গীতিকার হিসেবে নন কেবল, অভিনয়শিল্পী হিসেবেও নাম কুড়িয়েছেন তিনি। ‘টেলিভিশন তারকা’ বিশেষণটাও যুক্ত হচ্ছে তাঁর নামের আগে।

default-image

মাত্র ২৬ বছর বয়সে হ্যারি স্টাইলসের এ অর্জন তাক লাগানো। ২০১৩ সাল থেকে তিনি ক্রমাগত হাতে তুলছেন ব্রিটিশ স্টাইল অ্যাওয়ার্ড। ২০১৬ সালে ওয়ান ডিরেকশন ভেঙে যাওয়ার পর থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত টানা চার বছর হ্যারি ব্রিটিশ রেডিও নেটওয়ার্কের শ্রোতারা ভোট দিয়ে জানিয়েছেন, তিনিই ‘সেক্সিয়েস্ট মেল ইন পপ’।

default-image

জিকিউ ম্যাগাজিনের ‘ফিফটি বেস্ট ড্রেসড ম্যান’-এর তালিকায় তিনি বিশ্বের সেরা ফ্যাশনবোদ্ধাদের নম্বর অনুসারে দখল করেছেন চতুর্থ স্থান। ২০২০ সালে সানডে টাইমস–এর ‘রিচ রিস্ট অব মিউজিশিয়ানস’ প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, হ্যারির মোট সম্পদের পরিমাণ ৭৩১ কোটি টাকা।

default-image
গান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন