এই তথ্য নাকি একেবারেই ভুল। এ রকম আরও তথ্য বিকৃতির অভিযোগ এনেছেন তিনি। তাঁর দাবি, স্বাভাবিকভাবেই ছবি দেখতে গিয়ে তাঁরা মানসিকভাবে আহত। পরিচালকের থেকে এটা তাঁরা আশা করেননি।

default-image

শ্রমণার সেই পোস্ট সমর্থন করে সৌমিত্রকন্যা পৌলমী বসু ঘোষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, ‘একেবারে শুরুতেই আমি বলে নিচ্ছি, এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত। আমার বোন শ্রমণা ঘোষ যা লিখেছেন, তা সম্পূর্ণরূপে আমি সমর্থন করি। ধন্যবাদ তনু, এটা বলার দরকার ছিল। কেন বাবা এই ভুল দৃশ্যে অভিনয় করতে সম্মত হয়েছেন, তা আমি নিশ্চিত নই। এখন আমার হাত বাঁধা। কারণ, বাপি ওই দৃশ্যগুলো করেছেন। কিন্তু বাস্তব আর কল্পনা মিশ্রণ করলে যে ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। তা বাবা তা বুঝতে পেরেছেন কি না, তা নিয়ে প্রচণ্ড সন্দেহ আছে। যাদের আমাদের পরিবারের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই, সিনেমার এমন দর্শক এই সংস্করণ কিনবে এবং সৌমিত্রের শেষের দিনগুলোয় ঘটা বিষয়ে অনুশোচিত আলোচনা শুরু করবে। সত্যি বলতে এটা খুবই হতাশাজনক। এ ছাড়া এই তথাকথিত বায়োপিক থেকে বাদ পড়েছেন আমার বাবার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অনেক মানুষ।’

default-image

ভারতীয় এক গণমাধ্যমের প্রতিনিধিকে তিনি বলেন, ‘অহেতুক বিতর্ক তোলার পক্ষপাতী আমি নই। আমার মনে হয়েছে, যেটুকু বলা দরকার, সেটুকুই পোস্ট করেছি।’ পৌলমীর অভিযোগের উত্তরে পরিচালক পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় সব জানতেন। পৌলমীদিও ভালোভাবে জানতেন। শুধু তা–ই নয়, উনি নিজে নাটকের কিছু অংশের দৃশ্যে সাহায্য করেছেন। তখন তাঁর কিছু মনে হয়নি। এখন কেন মনে হচ্ছে, সত্যিই জানি না। ইতিমধ্যে দর্শকমহলে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে সিনেমাটি। বাণিজ্যিকভাবেও সিনেমাটি বেশ সফল।’

টালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন