জন্মদিনের প্রথম প্রহরে কেক কাটেননি?

না, আমি আসলে আমার জন্মদিনে কোনো সেলিব্রেশন করি না। আমার বন্ধুরা কয়েকটি কেক পাঠিয়েছে, কিন্তু কাটা হয়নি।

default-image

নিশ্চয় কোনো সারপ্রাইজ আছে, তাহলে?

না না, কোনোই সারপ্রাইজ নেই। আমি আমার এই বিশেষ দিনে কোনো অনুষ্ঠানই করি না। তবে আমার এক মিডিয়ার বন্ধু হাসিন রওশন উল্টো আমাকে সারপ্রাইজ দিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে চলে এসেছে। হা হা হা...।

মিডিয়া ছেড়েছেন, এমন কাউকে কাউকে এখনো মিডিয়ার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে কিংবা আড্ডায় দেখা যায়, কিন্তু আপনি ব্যতিক্রম কেন?

মিডিয়ার সব ধরনের অনুষ্ঠানে আমার যাওয়া হয় না। তবে আমি যে আড্ডা দিই না, ঠিক তা নয়। আমার মিডিয়ার বান্ধবীরা মিলে প্রায়ই কিন্তু আড্ডা দিই। অনেক সময় দল বেঁধে ঘুরতে যাই, খেতে যাই; কিন্তু সেই আড্ডার ছবি সাধারণত আমার ফেসবুক পেজে দিই না আমি। এ জন্য অনেকে মনে করেন, মিডিয়ার মানুষের সঙ্গে আমি মিশি না। মিডিয়ার বাইরেও তো আমার একটা ব্যক্তিগত জীবন আছে। এ কারণেই আমাদের আড্ডাগুলো সামনে আনতে চাই না।

নাকি কোনো অভিমান থেকে?

না না, কোনো অভিমান নেই। একটা দীর্ঘ সময় মিডিয়াতে কাজ করেছি, সেই জায়গার জন্য অভিমান হবে কেন? এত বছরের কর্মক্ষেত্রের অনেক মানুষের সঙ্গেই আমার ভালো সম্পর্ক। অনেকের সঙ্গে প্রায়ই ফোনে যোগাযোগ হয়। কখনো কখনো দেখাও হয়।

কাজে ফেরার পরিকল্পনা আছে?

ফেরার ইচ্ছা আছে। কাজের কথাবার্তা চলছে। শিগগিরই ফেরা হতে পারে। অপেক্ষা করেন না একটু! সাত-আট বছর পর কাজে ফিরব, নিশ্চয় ভালো কিছু দিয়েই ফিরব। তবে এখানে একটা কথা বলে রাখি, যদি কোনো কারণে ব্যাটেবলে না মেলে, তাহলে আর ফেরা না-ও হতে পারে। এ জন্য অবশ্য আমার কোনো আফসোসও থাকবে না। নাহয় মিডিয়াতে কাজ আর নাই করলাম।

default-image

সময় কাটে কীভাবে?

দুই বছর হলো ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়েছি। বনানীতে একটি ফ্যাশন হাউস দিয়েছি আমি। নিজেই ডিজাইন করি। সারা দিন হাউসেই সময় দিই। আপাতত হাউসটি ভালোই চলছে। সবার দোয়ায় এই অঙ্গনে নিজের একটু নামডাকও হয়েছে।

টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন