বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মিথিলার এ কথা শুনেই পূর্ণিমার অনুরোধ, ‘সেখানে তো পরে গাইবে, এখন দর্শকদের একটু গেয়ে শোনাও।’ গিটার ছাড়া গাইতে পারি না, মিথিলার এই অনুযোগও টিকল না, তাঁকে একটা গিটার দেওয়া হলো। গিটার কোলে নিয়ে মিথিলা এবার গেয়ে শোনালেন ডোরিস ডে–র সেই বিখ্যাত গান ‘কে সেরা সেরা’।

default-image

গান শেষে পূর্ণিমার উদ্দেশে মিথিলা বলেন, ‘আজকের তোমার অতিথি হিসেবে সৃজিত (মুখার্জি) থাকলেই ভালো হতো।’ পূর্ণিমাও কম যান না, ‘সামনাসামনি হলেই ভালো হতো, একটা ছবি চেয়ে নিতাম। পরবর্তী সিনেমায় বউকে না নিলে যেন আমাকে নেয়, এমন আবদার করতাম।’
মুম্বাইয়ে সৃজিত মুখার্জির সিনেমা ‘শাবাশ মিঠু’র শুটিং চলার সময় সেখানে গিয়েছিলেন মিথিলা। মুম্বাইয়ের অভিজ্ঞতা জানতে চাইলে মিথিলা বলেন ‘আমি অবশ্য শুটিং দেখতে মুম্বাই যাইনি। আমি গিয়েছিলাম সৃজিতের কাছে। “শাবাশ মিঠু”র শুটিংয়ের সময় আমি কলকাতাতেই ছিলাম।

ঢাকা থেকে কলকাতা গিয়েও আমাদের একসঙ্গে থাকা হচ্ছিল না, সে কারণেই আমি আর আমার মেয়ে আয়রা মুম্বাইয়ে গিয়েছিলাম। শুটিংয়ে আমি এক দিনই গিয়েছিলাম। বেশির ভাগ সময় আমরা হোটেলেই ছিলাম। আয়রার অনলাইনে ক্লাস ছিল, আমার হোম অফিস। তাই সেখানের শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা আমার নেই বললেই চলে।’

default-image

শুটিংয়ে কারও সঙ্গে দেখা হয়েছে? এই প্রশ্নের জবাবে মিথিলা জানান, ‘মুম্বাই থাকতে এক দিন গায়ক সনু নিগমের বাড়িতে দাওয়াতে গিয়েছিলাম। সৃজিতের সিনেমায় সনু নিগম আগে গেয়েছিল, সামনেও গাইবে। সৃজিতের সঙ্গে সনু নিগমের ভালো সম্পর্ক। আর সনু নিগমের বউ মধুরিমাদি তো কলকাতার মেয়ে। তাই আমরা ওদের দাওয়াতে গিয়েছিলাম। এ ছাড়া বেশির ভাগ সময়েই সৃজিত শুটিং নিয়ে আর আমি আমার অফিস নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম।’

default-image

দেশের সীমানা পেরিয়ে ভিনদেশে নিজেদের দ্যুতি ছড়িয়েছেন বা ছড়াচ্ছেন বাংলাদেশের যেসব তারকা, তাঁদের নিয়েই ‘প্রথম আলো’র আয়োজন ‘বড় মঞ্চের তারকা’। হাতিল নিবেদিত এ অনুষ্ঠান ‘প্রথম আলো’র অনলাইন, ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে দেখা যাচ্ছে। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। এ অনুষ্ঠানেই সম্প্রতি অতিথি হয়ে এসেছিলেন মিথিলা। তাঁদের আলাপচারিতায় জানা গেল, এই প্রথম দুজনের কোনো অনুষ্ঠানে দেখা।

টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন