বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

প্রধান নির্বাচন কমিশনার খাইরুল আলম বলেন, ‘মাত্র তিন দিন হলো আমরা নির্বাহী কমিটির কাছ থেকে দায়িত্ব বুঝে নিয়েছি। ১২ ডিসেম্বর আমরা তিনজন মিটিং করব। তারপর ক্রমেই নির্বাচনী তফসিল, নির্বাচনের তারিখ, নির্বাচনের স্থান ও নির্বাচনের প্রক্রিয়া ঘোষণা করব। আমাদের তাড়াহুড়া নেই। ধীরে ধীরে এগোচ্ছি। তবে নির্বাচন শিল্পী সংঘের নিয়ম মেনে হবে।’ নির্বাচন কমিশনার হিসেবে তাঁর সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন নরেশ ভূঁইয়া ও মাসুম আজিজ। এ ছাড়া নির্বাচনে আপিল বোর্ডে দায়িত্ব পালন করবেন অভিনেতা মামুনুর রশীদ ও আইনজীবী জুয়েল। তাঁরা সবাই অভিনয়শিল্পী সংঘের সদস্য।

default-image

এর আগে বিভিন্ন সময় নির্বাচন কমিশন ও আপিল বিভাগে দায়িত্ব পালন করেছেন ছোট পর্দার অন্যান্য সংগঠনের সহকর্মীরা। অভিনয়শিল্পী সংঘের সভাপতি শহীদুজ্জামান সেলিম বলেন, ‘সম্মানিত কমিশনার ও আপিল বিভাগের সদস্যরা নিজেদের ঘরের মানুষ। তাঁরা আমাদের সংগঠনের সদস্য। যে কারণে আমরা চেয়েছি নিজেদের ঘরের মানুষ দিয়ে নির্বাচন পরিচালনা করতে। আমাদের কাছে মনে হয়েছে তাঁরাই যোগ্য। গত বছর নির্বাচনেও তাঁরা দুর্দান্ত ভূমিকা রেখেছিলেন। সাফল্যের সঙ্গে সব শেষ করেছিলেন। নির্বাচন নিয়ে তাঁরা যে সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটাই চূড়ান্ত হবে।’

default-image

দুই বছর মেয়াদি অভিনয়শিল্পী সংঘের সর্বশেষ নির্বাচন হয়েছিল ২০১৯ সালের ২১ জুন। নির্বাচনের চার দিন পরে দায়িত্ব বুঝে নেয় নতুন কমিটি। তাদের মেয়াদ শেষ হয় চলতি বছর জুনে। অবশেষে ছয় মাস দেরিতে কেন নির্বাচন হচ্ছে জানতে চাইলে অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব বলেন, ‘নিয়মমাফিক মে মাসে আমাদের সাধারণ সভা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই সময় দেশে করোনা–সচেতনতা বজায় রাখার কারণে গণজমায়েত নিষিদ্ধ ছিল। এ জন্য আমরা সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে অবহিত করে রেখেছিলাম। এখন পরিস্থিতি ভালো যে কারণে গত মাসে আমরা সাধারণ সভা করতে পেরেছি। সরকারি নিয়ম ও সচেতনতা মেনেই আমাদের নির্বাচন হবে।’ নির্বাচন–সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রে জানা যায়, ১৫ থেকে ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের দিন নির্ধারিত হবে। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) হতে পারে নির্বাচনের স্থান।

টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন