বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

গত শনিবার রাতে পুরভোটের প্রচার সেরে হোটেলে ফেরার সময় আগরতলার পথে যানজটে পড়ে তাঁদের গাড়ি। গাড়িতে চালকের পাশেই বসেছিলেন সায়নী। আশপাশের লোকজন সায়নীকে চিনতে পেরে হাত নাড়েন। তৃণমূল নেতাদের দাবি, জনতা সায়নীকে দেখে ‘খেলা হবে’ স্লোগান তোলেন। তৃণমূল নেতারাও পাল্টা ‘খেলা হবে’ বলে সাড়া দেন। তারপর যানজট ছাড়লে হোটেলে ফেরেন সায়নীরা। তৃণমূলের নেতাদের অভিযোগ, শনিবার মধ্যরাত থেকে তাঁদের হোটেল ঘিরে রাখে পুলিশ। গতকাল রোববার বেলা ১১টায় পুলিশ হোটেলে ঢুকে সায়নীর খোঁজ করে এবং সায়নীকে জোর করে থানায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে নেতারা নাশতা খাইয়ে থানায় পৌঁছে দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন। পরে গতকাল সন্ধ্যায় থানায় গেলে তাঁকে ‘হিট অ্যান্ড রান’ (গাড়ি দুর্ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়া)–এর অভিযোগে গ্রেপ্তার দেখায়। রাতে তাঁকে রাখা হয় নারীদের সেলে।

সায়নী ঘোষের সঙ্গে দেখা করতে না দেওয়ায় বিক্ষুদ্ধ তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, এখানে রাজধর্ম পালন করা হচ্ছে না। গণতন্ত্র বলে এখানে কিছু নেই, তাণ্ডব চলছে। এদিকে বিজেপির গুন্ডাদেরও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। পরিচালক ও তৃণমূল নেতা ব্রাত্য বসু বলেন, ‘ভয়ংকর পরিস্থিতি চলছে। কী বলব, কিছু বলার নেই।’ কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, থানায় পুলিশের সঙ্গে আইনজীবীরা কথা বলেছেন।

default-image

তৃণমূলের প্রতিনিধি দল ফিরে যাওয়ার পর আদালতে নিয়ে যাওয়ার জন্য থানা থেকে বের করা হয় সায়নী ঘোষকে। গাড়িতে তোলার সময় অনেক প্রশ্ন করা হলেও টুঁ শব্দ করেননি সায়নী ঘোষ।

টালিগঞ্জের চলচ্চিত্র থেকে অল্প বয়সে রাজনীতিতে যুক্ত হন সায়নী ঘোষ। ‘কানামাছি’, ‘রাজকাহিনি’, ‘মায়ের বিয়ে’ প্রভৃতি ছবির এই অভিনেত্রী নজর কাড়েন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সায়নী অভিনীত ‘চরিত্রহীন’, ‘আস্তে লেডিজ’, ‘বউ কেন সাইকো’-এর মতো ওয়েব সিরিজেও জনপ্রিয় হয়েছে।

টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন