বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পরে এই হুমায়ূন আহমেদের কল্যাণে বদলে যায় অভিনেতা ফারুকের জীবন। ১৯৮৩ সাল থেকে মঞ্চে কাজ করেন ফারুক আহমেদ। ছিলেন নাটকের দল থিয়েটারে। একদিন ডাক পেলেন পরিচালক রিয়াজ উদ্দিন বাদশার কাছ থেকে। ফারুক বলেন, ‘হুমায়ূন আহমেদের লেখা নাটক “অচিনবৃক্ষে” কাজ করার প্রস্তাব পেলাম। তিনি আমাকে স্ক্রিপ্ট এগিয়ে দিয়ে পড়তে বললেন। আমি পড়লাম। তিনি বললেন, “ঠিক আছে, চলবে।” সম্ভবত ১৯৯২ সালের কথা। এরপর “মাটিরও পিঞ্জিরার মাঝে বন্দি হইয়া রে”, “আজ রবিবার”সহ অনেক নাটকে কাজ করেছি। হুমায়ূন ভাইয়ের কাজ সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি আমিই করেছি।’

default-image

নির্মাতাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘আমার ক্যারিয়ারের পেছনে তাঁর অবদান অনেক। নব্বইয়ের দশক থেকে টিভি নাটকে কাজ শুরু করি। টেলিভিশন আসার পর হুমায়ূন ভাই আমাকে অনেক ব্রেক দিয়েছেন। নানা রকম চরিত্রে অভিনয় করিয়েছেন। আমার জীবনের অনেকটা জায়গাজুড়ে আছেন তিনি। আর এখনো তিনি আমার অন্তরে রয়ে গেছেন। আমি চিরকৃতজ্ঞ তাঁর কাছে। যতটা কাজ করি, মানুষ মূল্যায়ন করে মিডিয়াতে, এটা তাঁর কারণে।’

টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন