default-image

নাবিলা বললেন, ‘কাজে নতুন করে উৎসাহিত হলাম। সিনিয়রদের প্রশংসা আমার জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি। আমাদের শুটিংয়ে কোনো তাড়াহুড়া ছিল না। দুই দিনের জায়গায় এবার চার দিন শুটিং করেছি। প্রতিদিন ঠিক সময়ে শুটিংয়ে এসেছেন তাঁরা। শুটিংয়ের প্রতিটি মুহূর্তে শিখছিলাম। লক্ষ করছিলাম, প্রতিটা দৃশ্য তাঁরা অনেক বেশি ইনভলভড ছিলেন এবং শুটিংয়ের মধ্যেই ছিলেন। ক্যামেরার সামনে গভীরে চলে যাচ্ছিলেন। তাঁদের কাছে শেখার শেষ নেই। নিয়মিত যদি তাঁদের সহশিল্পী হিসেবে পেতাম, তাহলে এই প্রজন্মের শিল্পী হিসেবে ধন্য হতাম। অভিজ্ঞ শিল্পীদের সঙ্গে আমি আরও অভিনয় করতে চাই।’

default-image

এই ঈদ নাবিলার জন্য বিশেষ। গত বছর করোনার কারণে পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবে শুটিংয়ে অংশ নিতে পারেননি। আগের কাজগুলোই দেখা গেছে টিভি ও ইউটিউবে। এ জন্য মন কিছুটা খারাপ ছিল তাঁর। এবারের আনন্দটা সত্যিকারের ঈদের আনন্দ। ঈদের আগের দিন পর্যন্ত শুটিং করতে হবে। এতে জমবে ১৫টি ঈদের নাটক।

default-image

বিশেষ প্রাপ্তি হচ্ছে, এবারের নাটকের গল্পগুলো গড়পড়তা প্রেম–ভালোবাসার নয়। বরং কিছুটা ভিন্ন। নাবিলা বলেন, ‘এবার ঈদের কাজের পরিবেশ অনেক ভালো। সবার মধ্যে একটি সিরিয়াসনেস আছে। আমার মনে হচ্ছে, এবার নাটকের গল্পে অনেক পরিবর্তন আসবে। পারিবারিক ও সমসাময়িক গল্প বাড়ছে।’

নাবিলাকে দেখা গেছে ‘ভুলে ভরা গল্প’, ‘আমার কি কেউ ছিল’, ‘বুকপকেট’সহ বেশ কিছু নাটকে।

টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন