এক হাজার মানুষ দাওয়াত দেব

মুমতাহিনা টয়া
মুমতাহিনা টয়াছবি: সংগৃহীত
বিজ্ঞাপন
আজ এনটিভিতে প্রচারিত হবে হাবিব শাকিল পরিচালিত ‘পরের মেয়ে’ নাটকের ৫০তম পর্ব। এখানে অভিনয় করেছেন মুমতাহিনা টয়া। গতকাল রোববার বিকেলে যখন ফোন করা হয়, টয়া তখন শপিংয়ে। নতুন বাসা নিয়েছেন। তারই টুকিটাকি কেনাকাটা। দরদাম করতে করতেই তিন দফা চলল আলাপন।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

‘পরের মেয়ে’ নাটক করতে করতেই তো বিয়ে করলেন, মাঝে চার মাসের দীর্ঘ বিরতি গেল। শুটিংয়ে কী পরিবর্তন দেখছেন?

অভিনয়টা তো আগের মতোই আছে। তবে বিয়ের পর বা করোনাকালের দীর্ঘ বিরতির পর ধারাবাহিকতা বজায় রাখাটা চ্যালেঞ্জ। ওই চরিত্রের ভেতর থাকাটা চ্যালেঞ্জ। আজ ছবিটার ৫০তম পর্ব প্রচারিত হবে। নাটকটি বেশ কিছুদিন চলবে। ১০০ পর্ব পর্যন্ত তো যাবেই।

দুইজন ব্যস্ত মানুষ বিয়ে করলেন আর তখনি করোনাকাল দীর্ঘ সময়ের জন্য ঘরবন্দী করে দিল। একরকম আশীর্বাদ, কী বলেন?

আশীর্বাদ না ছাই! বিয়ের পর একটা মেয়ের এক বছর পর্যন্ত নতুন বউ, নতুন বউ ফিল হয়। দিনে তিন–চার ঘণ্টার জন্য দেখা হয়। আর আমি দিনের ২৪ ঘণ্টা সংসার করেছি। চোখ খুললেও শাওন, বুজলেও শাওন। পাঁচ মাস ঘরে থেকে মনে হচ্ছে পাঁচ বছর সংসার করে ফেলেছি।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ঘরে থেকেই বেশ কয়েকটা প্রজেক্টে তো কাজও করলেন?

হ্যাঁ। পাঁচ–ছয়টা প্রজেক্টে কাজ করছি। আমি আর শাওন দুজনেই। ফোনে, ভিডিও কলে পরিচালক দৃশ্য বুঝিয়ে দিয়েছেন। শাওন বা আমিই ক্যামেরা ধরেছি।

এখন কী কাজ করছেন?

কোরবানির ঈদের নাটকের কাজ শেষ হলো। এখন রেগুলার কাজগুলো করছি। সামনেই আরও দুটি সিরিয়ালের কাজ হাতে নেব। ঢাকার বাইরেও শুটিং করব।

বড় পর্দায় ‘বেঙ্গলি বিউটি’তে দেখা দিলেন। এটিই এখন পর্যন্ত আপনার প্রথম আর শেষ ছবি। বড় পর্দার নায়িকা হতে কি ইচ্ছা করে না?

ইচ্ছা তো করেই। লকডাউন শুরুর আগে দুটি সিনেমার ব্যাপারে আলাপও হলো। এখন অবশ্য কথাবার্তা থেমে আছে। করোনার কারণে রেগুলার বড় পর্দার তারকাদেরই কাজ থেমে আছে। আর আমরা তো সিজনাল।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

বাসায় কে বাজার করে?

আমাদের বাসায় আমার বাবা করেন। শাওনদের বাসায় শাওনের মা করেন। আর যখন তাঁরা কেউ বাজার করেন না, তখন আমরা দুজনে অনলাইনে বাজার করি।

রান্না পারেন?

উমমমম... (খানিক ভেবে) খাওয়া যায় আরকি! মানে, কাউকে অভুক্ত থাকতে হবে না। কিছু না–কিছু করে খাওয়াতে পারব।

শাশুড়ির সঙ্গে মিলে রান্না তো করেছেন?

হ্যাঁ, তা তো করেছিই। দু–তিনবার রান্না করেও খাইয়েছি। রান্না যেমনই হোক, সবাই খেয়ে বলেছে ভালো হয়েছে। আর আমার শাশুড়ি যে কী ভালো! তরকারিতে যদি লবণ না–ও দিই, খেয়ে বলবেন, ‘মাশা আল্লাহ, দারুণ হয়েছে বউমা।’

বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠান করতে চেয়েছিলেন, সেটা হবে?

হ্যাঁ। করব। যার সঙ্গে কথা হয়, সে–ই প্রথমে বলে, বিয়ে করলে, দাওয়াত দিলে না! এই অভিযোগ শুনতে শুনতে আমি অতিষ্ঠ। প্রথম আলোর মাধ্যমে আমি সবাইকে আশ্বস্ত করে বলতে চাই, দাওয়াত পাবেন। বড় আয়োজন করে, অন্তত এক হাজার মানুষ দাওয়াত দিয়ে অনুষ্ঠান করব। এই ডিসেম্বরেই করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু করোনাকালে সেটা যে কোথায় গিয়ে পৌঁছায়, চিন্তায় আছি। এই ডিসেম্বরে না হলে আগামী ডিসেম্বরে হবে। তবে কোনো এক ডিসেম্বরে হবে।

বেছে বেছে ২৯ ফেব্রুয়ারি বিয়ে করলেন, সেটা কি প্রতিবছর বিবাহবার্ষিকী উদ্‌যাপনের খরচ বাঁচানোর জন্য?

(হেসে) আরে না। ব্যাপারটা আমার মাথায়ই আসেনি। কিন্তু অনেকেই এ রকম বলছে। আমরা চার বছর পরপর ধুমধাম করে বিয়েবার্ষিকী করব। চিন্তা নেই, একবারেই চার গুণ খরচ করব।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন