বিজ্ঞাপন
default-image

অভিনয় শুরু করার পর তাঁর বেশির ভাগ জন্মদিন কেটেছে শুটিং ইউনিটে। মেকআপ রুমের সহকর্মী, কলাকুশলী, তরুণ থেকে প্রবীণ শিল্পী—সবার পছন্দের মানুষ তিনি। মুকিত মানেই শুটিংয়ে থাকবে আনন্দ, আড্ডা। তাঁর জন্মদিনের প্রিয় স্মৃতিগুলো এই শুটিং সেটকে ঘিরেই। বেশির ভাগ জন্মদিনে নাটক বা বিজ্ঞাপনের শুটিং ছিল। নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী তাঁর গুরু। তাঁর হাত ধরেই কাজ শেখা। তাঁর জন্মদিন এলে ফারুকী শুটিং ইউনিটে সবাইকে নিয়ে কেক কাটতেন। একবার হলো এক মজার ঘটনা। বিজ্ঞাপনের শুটিং চলছে। তাঁর আরও দুটি দৃশ্য রয়েছে বলে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী তাঁর বনানীর বাসায় নিয়ে গেলেন মুকিতকে। তিনি শুটিংয়ের জন্য প্রস্তুত হয়ে বসে আছেন। সময় চলে যায়। শুটিং শুরু হয় না। পরে দেখা গেল, মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর স্ত্রী অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশাসহ আরও অনেকে তাঁর সামনে হাজির জন্মদিনের কেক নিয়ে। মুকিত বলেন, ‘এই সারপ্রাইজগুলো আমার কাছে খুবই মূল্যবান। আমার জন্মদিনে মোস্তফা কামাল রাজ এখনো শুটিংয়ে কেক নিয়ে আসেন। তা ছাড়া নায়িকা, ডিরেক্টর, কলাকুশলী সবাই আমার জন্মদিন নিয়ে আগ্রহ দেখায়। এবার জন্মদিনে শুটিং নেই। শুটিং থাকলে আড্ডা আর কাজ মিলে ভালোভাবেই দিনটি কেটে যায়।’

default-image

জন্মদিন নিয়ে সবচেয়ে বেশি উচ্ছ্বাস থাকে তাঁর স্ত্রী বিলকিস মেরীর। এদিন তিনি মুকিতের জন্য পছন্দের খাবারগুলো তৈরি করেন। কথা প্রসঙ্গে এই অভিনেতার কাছে জানতে চাওয়া হয়, এবার কততম জন্মদিন পালন করলেন? হঠাৎ একটু সিরিয়াস হয়ে বলেন, ‘এবার আঠারোতে পড়েছি।’ খানিক পরই হাসলেন। ব্যাখ্যা দিলেন কেন তাঁর বয়স ১৮। মুকিত বলেন, ‘আমি যেখানেই যাই, সবাই বলে, আরে মুকিত, তোমার তো বয়স বাড়ছেই না! ৯-১০ বছর আগে যেমন দেখেছি, এখনো তেমনই আছ। আমি তখন বলি, আমার বয়স বাড়ে নাই। আমি তখনো আঠারোতে ছিলাম, এখনো আঠারোতেই আছি।’

default-image

মুকিত জাকারিয়া অভিনীত ৩০টির বেশি নাটক ঈদের সাত দিনের অনুষ্ঠানমালায় প্রচারিত হচ্ছে। বেশির ভাগ নাটক নিয়েই তিনি খুশি। দর্শকেরা অনেকেই তাঁর কাজের প্রশংসা করছেন। তিনি মনে করেন, ঈদের নাটকগুলো যদি আরেকটু সময় নিয়ে করা যেত, তাহলে আরও ভালো হতো। বিরতি শেষে আবারও প্রস্তুতি নিচ্ছেন কাজে ফেরার। কথা শেষে তিনি জানান, জন্মদিনের একটি বার্তা তাঁকে ঘোরের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। জন্মদিনে এখনো তিনি সেই শুভেচ্ছাবার্তা নিয়ে ভাবছেন। এটি পাঠিয়েছেন সংগীতশিল্পী সুজিত মুস্তাফা। তিনি মুকিতের জন্মদিনে লিখেছেন, ‘জন্মের দিনটি কি অন্যান্য দিনের চেয়ে আলাদা কিছু? একই তো সকাল, দুপুর, বিকেল আর রাত। জন্মদিন আসলে এক সচেতনতার সূচক, যে বলে দেয়, তুমি এসেছিলে, আছ এবং আরও অজানা সময় পর্যন্ত থাকবে। কেন থাকবে? কারণ, প্রত্যেকেই কিছু না কিছু উদ্দেশ্য নিয়ে আসে। কল্যাণকর কিছু করার জন্য। অনেকের শুভেচ্ছা এবং ভালোবাসা যেন সেই কর্মে আরও প্রাণ ও গতি দেয়। এমন বিশেষ দিনটিতে অনেক শুভেচ্ছা। শুভ জন্মদিন।’

default-image
টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন