default-image

মোটরসাইকেল চালানোর ইচ্ছা তাঁর নেই। তার কারণ, তিনি যে শুধু স্থূলকায় তা–ই নয়, বন্ধুরাও এই নিয়ে বেশ হাসিঠাট্টা করেছেন। অনেক বন্ধু নাকি এটাও বলেছেন, ‘তোরে দিয়ে মোটরসাইকেল চালানো সম্ভব না।’ তখন চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন। তাই অভিমান নিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন আর যা–ই হোক, জীবনে মোটরসাইকেলই কখনো চালাবেন না। সাইকেল চালাতে পারেন, এই নিয়েই খুশি ছিলেন তিনি। তবে এবার অভিমান ভাঙতে হলো অভিনেতা আনন্দ খালেদকে। একটি নাটকের প্রয়োজনে সম্প্রতি মোটরসাইকেল চালানো শিখেছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন
default-image

চরিত্রটি একজন পুলিশ কর্মকর্তার। তিনি উপপরিদর্শক ইনসান। গল্প হাতে পেয়েই যেন খুশিতে আটখানা। গল্পে ছিল পুরো কমেডি–নির্ভর। নির্মাতা পরে চিত্রনাট্য পাঠানোর পরই বলে বসলেন, ‘ভাই মোটরসাইকেল কিন্তু চালাতে হবে।’ শুনেই মুখটা যেন শুকিয়ে গেল এই অভিনেতার। বেশ চিন্তায় পড়ে গেলেন তিনি। কী করবেন বুঝে উঠতে পারছিলেন না। তবে স্থূলকায় বলে দমে যাওয়ার পাত্র নন আনন্দ খালেদ। মনে মনে ভাবলেন, আগেই নির্মাতাকে না করে দেবেন না। বন্ধুবান্ধব, পরিচিতজন কাউকে কিছু না বলে একাই চললেন মোটরসাইকেলের খোঁজে। ৫০০ টাকার বিনিময়ে একটি গ্যারেজ থেকে ভাড়া করলেন পুরোনো একটি মোটরসাইকেল। তারপর মাত্র ৫ ঘণ্টার ব্যবধানেই শিখে ফেললেন মোটরসাইকেল।

বিজ্ঞাপন
default-image

এত দ্রুত কীভাবে মোটরসাইকেল চালানো শিখলেন? তিনি বলেন, ‘ভাই আমি আগে থেকেই সাইকেল চালাতে পারতাম। সেখান থেকেই আমার মধ্যে আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছিল, আমি পারব। নিজের চেষ্টায় শিখে ফেলেছি।’ তাঁকে মোটরসাইকেল চালানো শেখায় সহযোগিতা করেছেন সেই গ্যারেজের একজন সহকারী। তারপর নিয়মিত চর্চা করে ছুটলেন শুটিংয়ে। শুটিংয়ে গিয়ে বাধল বিপত্তি। কী সেটা? ‘বাইক চালানো শেখার পর যখন শুটিং সেটে গেলাম, তখন আরেক ঝামেলায় পড়লাম। নির্মাতা আমার সামনে এনে দিলেন স্কুটি। কমেডি ধাঁচের গল্প, তাই এটাই চালাতে হবে। আমি তো আকাশ থেকে পড়লাম। কী আর করা, মোটরসাইকেল চালানোর প্রস্তুতি নিয়ে গিয়ে আবার ৪ ঘণ্টা সময় নিয়ে স্কুটি চালানো শিখলাম, ‘কথাগুলো বলেন আনন্দ খালেদ। শেষ পর্যন্ত স্কুটি চালাতে শিখে খুশি তিনি। দৃশ্যে তাঁর স্কুটি চালানো দেখে খুশি নির্মাতাও।

মাহাদী হাসান পরিচালিত নাটকটির নাম ‘তোমার জন্য অর্কিড ভালোবাসা।’

মন্তব্য পড়ুন 0