বিজ্ঞাপন

প্রথম পর্যায়ে ৫২ পর্বের কাজ হলেও ধারাবাহিকটি দীর্ঘ হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে জানান নাটকটির নির্মাতা ফজলে আজিম জুয়েল। তিনি বলেন, নবাব সিরাজউদ্দৌলার মৃত্যুর পর দিল্লি থেকে কীভাবে ঢাকার শাসন পরিচালিত হতো, কী কী ঘটেছিল বা ঘটতে পারে—এমন বিষয় নিয়েই নাটকটি হচ্ছে। এমন গল্পে বাংলাদেশে আগে কখনো নাটক নির্মিত হয়নি। আড়াই শ বছর আগে ঢাকা কেমন ছিল, এই ধারাবাহিকের মাধ্যমে দর্শকেরা তা জানতে পারবেন।

default-image

ফজলে আজিম বলেন, নাটকে গল্পের শুরুতে দেখা যাবে ১৭৫৮ সালের কোনো এক দিনে মেঘনা নদী থেকে একটি বজরা সশস্ত্র প্রহরীসহ চাঁদপুর ঘাটে এসে ভেড়ে। গন্তব্য ঢাকার জিনজিরা প্রাসাদ। নৌকার আরোহীরা হচ্ছেন নিহত নবাব সিরাজউদ্দৌলার স্ত্রী লুৎফা, কন্যা উম্মে জোহরা, খালা ঘসেটি বেগম, মাতা আমেনা বেগম। কিছুটা বিরতির পর পাল তোলা বজরায় আবার ঢাকা অভিমুখে যাত্রা শুরু হয়। এখান থেকেই শুরু অষ্টাদশ শতাব্দীর সময়ের ঢাকার আখ্যান ‘জিন্দাবাহার’।

default-image
default-image

লেখক, পরিচালক ও অভিনেতা মামুনুর রশীদ বলেন, ‘সিরাজউদ্দৌলার পক্ষে যুদ্ধ করা ফরাসি সৈনিকদের কিছু চিঠি আমার হাতে এসেছে। এগুলো পড়তে গিয়ে এত তথ্য পেয়েছি যে সেসব নিয়ে নানা রকম ফিকশনের সুযোগ আছে।’
ইতিমধ্যে প্রথম পর্যায়ের শুটিংও শেষ হয়েছে। আগামী মার্চ-এপ্রিলের দিকে বিটিভিতে প্রচার শুরু হওয়ার সম্ভাবনা আছে নাটকটির। সেখানে দেখা যাবে মামুনুর রশীদ, লুৎফর রহমান জর্জ, আজাদ আবুল কালাম, আহমেদ রুবেল, অনন্ত হিরা, শতাব্দী ওয়াদুদ, সমু চৌধুরী, শামীম ভিস্তি, শ্যামল জাকারিয়া, আলিফ চৌধুরী, সাদমান প্রত্যয়, ইউসুফ রাসেল, শাকিল, রোজী সিদ্দিকী, নাজনীন চুমকি, শর্মী মালাসহ অনেককে।

default-image
টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন