বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে প্রথম আলোর আয়োজনে ‘সিবিএল মাঞ্চি চাংকি চক ভালোবাসার দিনে ভালোবাসার গল্প সিজন-৪’–এ মুমতাহিনা টয়ার উপস্থাপনায় ভালোবাসার গল্প শুনিয়েছেন নাদিয়া-নাঈম জুটি। এ আসরে নিজেদের অতীতের ভালোবাসা দিবসের স্মৃতিচারণা করেন। নাদিয়া বলেন, ‘এ ছয় বছরে নাঈমই আমাকে বেশি সারপ্রাইজ দিয়েছে। আমি নাঈমকে খুব বেশি সারপ্রাইজ দিতে পারিনি। বিভিন্ন উপলক্ষে কিছু না–কিছু সারপ্রাইজ নাঈম দিবেই। একেকবার একেক রকমভাবে সারপ্রাইজ করে, এটা আমার খুবই ভালো লাগে।’

default-image

বিয়ের পর প্রথম ভালোবাসা দিবস একটু অন্য ভাবেই করতে চেয়েছিলেন অভিনেতা নাঈম। গল্পটা শুনি তাঁর মুখেই—‘আমি সবকিছু প্ল্যান করে চলতে ভালোবাসি। তবে বিয়ে, সংসার ওইভাবে ভেবেচিন্তা কিছু করি নাই। বিয়ের পরের মাসে যেহেতু পয়লা ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবস ছিল, তাই ওই দিনগুলো বিশেষভাবে পালন করার ইচ্ছা ছিল। আর পয়লা ফাল্গুন আমার ব্যক্তিগতভাবে খুব পছন্দের দিন। পয়লা ফাল্গুনের দুই দিন আগে আমি একটা কাজের কথা বলে বাসা থেকে বের হই। এবং চলে গেলাম পছন্দের ফুলের দোকানে। তখন দোকানে বললাম, ফাল্গুনের রাতে আমরা ডিনারে যে রেস্টুরেন্টে থাকব, সেখানে ফ্লাওয়ার বুকেটসহ সব উপহার দিয়ে আসতে। যথাসময়ে উপহার দিয়ে নাদিয়াকে চমকে দিতে পেরেছিলাম প্রথম ভালোবাসা দিবসে।’

default-image

বিয়ের আগে নাঈম-নাদিয়া ভালোবাসার কথা প্রোপজ করে জানানোর সুযোগ পাননি। বিয়ের পরও সেভাবে ভালোবাসা জানানো হয়নি। তবে বিয়ে পর এ জুটির কাছে প্রোপজ মানে ‘তুমি কি যাবা? তুমি কি খাবা? আমি কি খাবো?’এমনটাই। প্রোপজের অনুভূতিটা এভাবেই প্রকাশ করে তারকা এ জুটি। বিয়ের পর ভালোবাসা আর বন্ধুত্ব আস্তে আস্তে বেড়েছে বলে জানান নাদিয়া, ‘বিয়ে পর প্রথম প্রথম বন্ধুত্বটা সেভাবে না হলেও দিন যত গেছে, ততই বন্ধুত্ব গাঢ় হয়েছে। নাঈমকে এখন আমি মোটামুটি বুঝতে পারছি। প্রথমে অনেক কিছু বুঝতে কঠিন হতো। আমি কী বলতে চাচ্ছি বা নাঈম কী বলতে চাচ্ছে—এসব বুঝতে একটু সমস্যা হতো। সময় যত যাচ্ছে, ততই মানুষটাকে চিনতে শুরু করেছি।’

ছয় বছর একসঙ্গে আছেন। অনেক কিছু জেনেছেন, দেখেছেন। ছয় বছর আগে আজকের নাঈমকে কি বিয়ে করতেন? নাদিয়ার মুখ থেকে উত্তর কেড়ে নিয়ে নাঈমের উত্তর, ‘অবশ্যই করত না। বিয়ে করার প্রশ্নই আসে না।’ এবার উত্তরটা নাদিয়ার, ‘ফিফটি ফিফটি! আমরা দুজন প্রায়ই বলি, আগে যদি জানতাম তাহলে বিয়েই করতাম না। আরেকটা জিনিস খুব বলি সেটা হলো—আসলে আমারই ভুল হয়েছে তোমাকে বিয়ে করে। তবে সত্যি কথা বলতে কী, আমি যেমন পরিবার চেয়েছি, যেমনভাবে থাকতে চেয়েছি, নাঈমের পরিবার ও নাঈম আমার ঠিক চাওয়ার মতো। আমার শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমাকে নিজের মেয়ের মতো করে নিয়েছে। আমার বাবা-মা ও ছোট বোন যেহেতু দেশের বাইরে থাকে। আমি একটা শূন্যতার মধ্যে ছিলাম। সেই শূন্যতা নাঈমের পরিবার পূরণ করেছে।’ একই বিষয় নাঈমের উত্তর, ‘আগে যেভাবে চিনতাম, সেখানে হারানোর কোনো ভয় ছিল না। তবে এখন হারানোর ভয়টা কাজ করে। অবশ্যই আমি সব সময় নাদিয়াকে চাই। চেনার পরের বিষয়টা অন্য রকম, অনুভূতিটা আলাদা।’

টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন