বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ডিরেক্টরস গিল্ডের সভাপতি সালাহউদ্দিন লাভলু বলেন, ‘আমি শুটিং চালু রাখার পক্ষে নই। যদি এমন হয়, চলমান কোনো ধারাবাহিকের শুটিং না করলে সেগুলোর প্রচার বন্ধ হয়ে যাবে, তাহলে শুটিং করা যায়। তবে যথেষ্ট সতর্ক থাকতে হবে। আমরা একটা মনিটরিং সেল করে দিয়েছি, তারা দেখছে শুটিং ইউনিটগুলো যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মানছে কি না।’ তবে তিনি এ–ও বলেন, ‘আমি মনে করি, সর্বোচ্চ সতর্কতা মেনে আমাদের কাজ চালিয়ে যেতে হবে। করোনার কারণে গত ঈদের আগে কাজ না করে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি আমরা। যদি কাজ বন্ধ রাখতে হয়, তাহলে এই অঙ্গনের মানুষদের জীবিকার দায়িত্ব নেবে কে?’

ইতিমধ্যে বেশ কিছু শুটিং বন্ধ করে দিতে হয়েছে কেবল লকডাউনের কারণে। পাশাপাশি নিজেদের ব্যবস্থাপনায় শুটিং চালিয়ে যাচ্ছেন কেউ কেউ। কারণ, এই অঙ্গনে যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের অনেকেরই একমাত্র পেশা এটাই। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর বলেন, ‘আমাদের ইন্ডাস্ট্রির হাতে গোনা কয়েকজন বাদে কেউই ততটা স্বচ্ছল নন। করোনার যে অবস্থা দেখছি, এটা শিগগিরই যাচ্ছে না। তাই জীবনের পাশাপাশি জীবিকা নিয়েও ভাবতে হবে। যেহেতু করোনার প্রকোপ বাড়ছে, সতর্কতার সঙ্গে, যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুটিং করতে হবে।’

default-image

অভিনয়শিল্পী সংঘের সভাপতি শহীদুজ্জামান সেলিম বলেন, ‘শুটিং পুরোপুরি বন্ধ করতে বলছি না, হুট করে সেটা করা যায়ও না। বাসায় একঘেয়ে লাগলে মানুষ টেলিভিশনে বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান দেখবে। আমি মনে করি, শুটিং ইউনিটগুলোকে ঘরের মতো নিরাপদ করে তুলতে হবে। তবে সবচেয়ে ভালো হয়, আপাতত শুটিং না করলে।’

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মহাসচিব শাহীন সুমন বলেন, ‘ক্যামেরা চললেই আমাদের রুটিরুজি নিশ্চিত হয়। তাই শুটিং আমাদের করতেই হবে, তবে সেটা অবশ্যই নিয়ম মেনে করতে হবে। মুশকিল হলো, মাস্ক পরে তো আর অভিব্যক্তি ফুটিয়ে তোলা যায় না।’

টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন