বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

সুমাইয়া শিমু বলেন, ‘সচরাচর ভালো, নারীকেন্দ্রিক গল্পই কম হয়। অভিনয়ের সুযোগ থাকে এমন চরিত্র তেমন পাই না। সেখানে একজন চাকরিজীবী মেয়েকে বস্তি থেকে বস্তি, মহল্লার নানা জায়গায় পেশাগত দায়িত্ব পালনে ঘুরে বেড়াতে হয়। মেয়েটি পরিবারের শেষ অবলম্বন। তার জীবনের নানা টানাপোড়েন পর্দায় তুলে ধরা হয়েছে। যে কারণে তিথী চাইলেও পরিবারে বিয়ের কথা বলতে পারে না। সে অপেক্ষা করে কখন নিজের মতো করে একটু দম নিতে পারবে। সেই সময়টা আর আসে না। অসংখ্য মেয়ের গল্প তিথীর মধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।’

default-image

তিথীর সঙ্গে নিজের কিছু মিল খুঁজে পান সুমাইয়া শিমু। অভিনয় করে তাঁকেও পরিবারকে সাপোর্ট দিয়ে যেতে হয়েছে। তবে তিথীর মতো এত কষ্ট তাঁকে করতে হয়নি। তিনি বলেন, ‘প্রতিটি পরিবারের সংগ্রাম আলাদা। আমি আয় করে সব সময় ফ্যামিলিকে সাপোর্ট করার চেষ্টা করেছি। সবাই মিলে সংসারে সাপোর্ট করলে কারও ওপরই প্রেসার পড়ে না। আমি সব সময় নিজ থেকেই দায়িত্ব পালন করতে চেয়েছি। কারও ওপর বোঝা হয়ে থাকতে চাইনি। বাস্তব কিছু অভিজ্ঞতার মিশিয়ে নাটকে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা ভালো।’

default-image

নাটকের অভিনেতা রওনক হাসান বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর আমি আর সুমাইয়া শিমু নাটকে অভিনয় করেছি। শুটিংয়ের সময়টা আমার জন্য কষ্টের ছিল। শুটিংয়ের কিছুদিন আগে আমার বাবা মারা যান। কয়েক দিন পরই নাটকের শিডিউল পড়ে। সবকিছু প্রস্তুত থাকায় নির্মাতাকে আর না করিনি। গল্পটি দর্শকের ভালো লাগবে।’

আসাদুজ্জামান সোহাগের কাহিনি ও চিত্রনাট্যে নাটকটি পরিচালনা করেছেন সীমান্ত সজল। নির্মাতা জানান, নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন শর্মিলী আহমেদ, আমিরুল হক চৌধুরী, ইকবাল হোসেন, অপু আহমেদ প্রমুখ।

default-image
টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন