default-image

নাটকের শুরুতে দেখা যায়, মোফাক্কার শহরে আসে বাবার বকা খেয়ে। বাবা বলেন, পাশের বাড়ির হাসমত মিয়ার ছেলে মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে দোতলা বাড়ি বানিয়েছে। বাড়ি পাহারা দেওয়ার দারোয়ান নিয়োগ দিয়েছে আর তুই মোফাক্কার বাবার ঘাড়ে বসে বসে এখনো খাচ্ছিস! একরোখা মোফাক্কার হজম করতে পারেনি বাবার সেই বকুনি। সোজা চলে আসে ঢাকায়। ফুটপাতের একটা টং দোকানে চা খেতে খেতে টেলিভিশনের মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে রসালো আলোচনা তার নজর কাড়ে। একজন কড়ি বিক্রেতার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। যে কিনা এই শহরে পথেঘাটে কড়ি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে।

default-image

যারা বলে, বাস্তব জীবনের চাপে পড়লে অবাস্তব সব পালায়, তাদের এই কথা মানতে নারাজ মোফাক্কার। আর অন্যের চিন্তাই বা সে গ্রহণ করবে কেন, সে তো কোনো অংশে কম বোঝে না! পড়তে পারে। লিখতে পারে। ফেসবুক চালাতে পারে! ফলে দেশ বিদেশের অর্থনীতি, সমাজনীতি, রাষ্ট্রব্যবস্থা এমন কোনো তথ্য–উপাত্তও নেই যে যা তার অজানা। এসব বিষয় নিয়ে এগিয়ে যায় নাটক। নাটকে বিভিন্ন পর্বে ঘটতে থাকে নানা আজগুবি ঘটনা। অনেকটা স্যাটায়ার, আর মজার ঘটনাপ্রবাহের মাধ্যমে আবেগী গল্প বলা হবে সাত পর্বের ‘কড়িওয়ালা’তে।

টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন