বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ক্যারিয়ারে প্রায় তিন দশক হতে চলল। এ সময়ে টেলিভিশন অঙ্গনে কাজের কী ধরনের পরিবর্তন চোখে পড়েছে?

কাজের পরিধি বেড়েছে। আগের চেয়ে বেশি এক্সপেরিমেন্টাল কাজ হচ্ছে। একটা সময় শখের জায়গা থেকে অভিনয় শুরু করেছিলাম। এখন সেটাকে তরুণেরা পেশা হিসেবে নিতে পারছেন। একজন অভিনেতা হবেন, সেই স্বপ্ন দেখছেন। এটা অনেক বড় পরিবর্তন।

মনের মতো চরিত্র বছরে কয়টা পান?

ভালো লাগার জন্যই কাজ করি। ধারাবাহিকে অভিনয় করে তৃপ্তি পাই না। চরিত্র নিয়ে প্রস্তুতি থাকলেও বিভিন্ন কারণে পরে আগ্রহ হারিয়ে ফেলি। একক নাটকে সেটা পাওয়া যায়। চলচ্চিত্রে কাজ করে আরও বেশি ভালো লাগে। সব মিলিয়ে বলা যায়, বছরে দু–তিনটা কাজ করে তৃপ্তি পাওয়া যায়।

একবার বলেছিলেন, অভিনেতা না হলে ক্রিকেটার হতেন। ক্রিকেটের প্রতি এই ভালোবাসা কেন?

বাবার জন্যই ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা। তিনি ছিলেন ক্রিকেটের ভক্ত। বাবা চাইতেন, আমরা তিন ভাইয়ের একজন ক্রিকেটার হই। আমরা কেউই বাবার ইচ্ছা পূরণ করতে পারিনি। কিন্তু আমরা যা করেছি, তাতে বাবা কখনো নিষেধ করেননি। এখানেও বাবার ভালোবাসা ছিল।

default-image

আপনার প্রিয় ক্রিকেট খেলোয়াড় কে?

প্রথমে মাশরাফি, তারপরে সাকিব আল হাসান।

আপনার সফলতার পেছনে বড় বাধা কী ছিল?

আমি ছিলাম পরিবারের বড় ছেলে। অভিনয় করতে পারব কি না, সেটা নিয়ে ভাবতাম। কারণ, আমাদের শুরুর সময়টায় অভিনয় ছিল শখের বিষয়। তখন ভাত খাওয়ার জন্য লাগবে চাকরি। অভিনয় নিয়ে আমি অনিশ্চয়তায় ভুগতাম। চাকরি যদি না করি, তাহলে আমি কি অভিনয় করে যেতে পারব? সেটিই সবচেয়ে বেশি ভাবতাম। এদিকে এমনও দিন গেছে, এসএসসি পরীক্ষার আগে রাত ১০টায় থিয়েটার করে ফিরতাম।

default-image

প্রথম নাটকে অভিনয় করে পারিশ্রমিক কত টাকা পেয়েছিলেন?

আমার প্রথম পারিশ্রমিক ৩৫০ টাকা। একটি চেক পেয়েছিলাম। বিটিভির সেই চেক নিয়ে মায়ের হাতে দিয়েছিলাম। পরে বাবা ব্যাংকে নিয়ে গিয়ে এক হাজার টাকা দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলে দিয়েছিলেন।

সহকর্মীদের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি শুনেছেন কোনো কথাটা?

‘দাদা, তুমি খুব মজার মানুষ’—এটাই আমার সেরা পাওয়া। আমি কাজের সময় সবাইকে সহযোগিতা করি। এটা তাঁরা সবাই পছন্দ করেন।

default-image

শুটিং ইউনিটে কখন মন খারাপ হতো?

অনেক সময় ছোট ছোট ভুলের কারণে প্রোডাকশন বয়দের শুটিং থেকে বাদ দেওয়া হয়। এ ঘটনা আমাকে খুব কষ্ট দিত। কারণ, তাঁদের আয় কম, কিন্তু তাঁরা অনেক কাজ করেন। একবার শুটিং সেটে একজন প্রোডাকশন বয় আমাকে পানি খেতে দিয়েছিলেন। কিন্তু গ্লাসটা পিরিচে করে দিতে ভুলে গিয়েছিলেন। এ ঘটনায় তাঁর চাকরি চলে যায়। সেদিন আমার নিজেকে খুব অপরাধী মনে হয়েছিল।

এখন ব্যস্ততা কী নিয়ে?

আমার পাঁচটি ছবি পাইপলাইনে আছে। এ বছর ছবিগুলো মুক্তি পাবে। ‘মাশরাফি জুনিয়র’সহ তিনটি ধারাবাহিকে নিয়মিত অভিনয় করছি।

default-image
টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন