বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ভিন্ন ভিন্ন ৬ গল্প নিয়ে অমনিবাস চলচ্চিত্র ‘৭২ ঘণ্টা’, পরিচালনা করেছেন ভারতের নির্মাতা অতনু ঘোষ। এর আগে ‘রবিবার’ ছবিটি পরিচালনা করে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন তিনি। সৌমিত্রের প্রথম প্রয়াণবর্ষে তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন অতনু। তাঁর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতার ভাগ দিয়ে এই পরিচালক প্রথম আলোকে বলেন, অভিনয়ের মধ্য দিয়ে জীবনকে চিনিয়ে দেওয়া যায়, এটা যে শিল্পীরা দেখিয়েছেন, সৌমিত্র তাঁদেরই একজন। একজন মহান অভিনেতার যে গুণগুলো থাকে—শিক্ষা, মনন, শৈলীর ওপর দখল—সবই তাঁর ছিল। সবচেয়ে বড় কথা, তাঁর একটা জীবনদর্শন ছিল, যা তিনি নিজের অভিনয়ে কাজে লাগিয়েছেন। শিল্পকলার অনেকগুলো শাখায় তিনি সক্রিয় ছিলেন। আবৃত্তি করতেন, আঁকতেন, লিখতেন, নিজেই নাট্যকার ছিলেন। এর সবই তাঁর অভিনয়কে একটা উন্নত জায়গায় পৌঁছে দিয়েছিল।

default-image

২০১৮ সালের শেষ দিকে ৭২ ঘণ্টা ছবির শুটিং শেষ হয়, জানালেন পরিচালক। সৌমিত্রকে নিয়ে এর আগে আরও তিনটি কাহিনিচিত্র নির্মাণ করেছিলেন তিনি। এই অভিনেতার শূন্যতা তাঁকে নাড়া দেয় এখনো। তিনি বলেন, ‘তাঁর ফোন নম্বরটা এখনো রেখে দিয়েছি, কোনো দিন মুছব না। এখনো ব্যতিক্রম কোনো ভাবনা এলে মনে হয়, তিনি তো আছেনই, চিন্তা কী! পরে মনে হয়, তিনি তো নেই। তিনি আমাদের জন্য প্রেরণার আলো হয়ে আছেন। ৭২ ঘণ্টার চরিত্রটা তাঁর খুব পছন্দ হয়েছিল। চরিত্রের দ্বন্দ্ব তাঁকে ভীষণ আনন্দ দিয়েছিল। শুটিংয়ের সময় দেখতাম বেশ আনন্দে আছেন, চরিত্র ভালো লাগলে এ রকমই করতেন তিনি। আমি তাঁর মাস্টারক্লাসগুলো সঞ্চালনা করতাম। এসবই আমার জীবনের সঞ্চয়।’

default-image

এক স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ানের আত্মহত্যার পর ঘটে যায় বেশ কিছু ঘটনা। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নানা জায়গায় ঘটে যাওয়া সে রকম ছয়টি ঘটনাকে এক সুতায় বাঁধা হয়েছে সিনেমায়। ‘৭২ ঘণ্টা’ ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন আবির চট্টোপাধ্যায়, ঋতিক চক্রবর্তী, ইন্দ্রানী হালদার, খরাজ মুখোপাধ্যায়, অনন্যা চট্টোপাধ্যায়, পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুদীপ্তা চক্রবর্তী প্রমুখ।

টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন