অন্যদিকে ডালিম কুমার গল্পে অভিনয় করছেন এন কে মাসুক, সায়েম সামাদ, সামলি আরা সাইকা, শিশির আহমেদ, মীর আহসান, এস ডি তন্ময়, তাসনিম নিষাদ ও শীলা। ২৬ পর্বের এই আয়োজনের প্রযোজনা করেছেন শাহজালাল সরদার।
গতকাল বিটিভির ঢাকা কেন্দ্রের সভাকক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিটিভির ঢাকা কেন্দ্রের মহাব্যবস্থাপক নাসির মাহমুদ, পরিচালক (অনুষ্ঠান ও পরিকল্পনা) জগদীশ এষ, অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নূর আনোয়ার হোসেন, অনুষ্ঠান নির্বাহী (নাটক) মাহবুবা ফেরদৌসসহ হীরামনের কলাকুশলীরা। এতে জানানো হয়, লোককাহিনি ও লোকগাথা অবলম্বনে গল্পকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে দৃশ্য ধারণ করা হচ্ছে।

ভিএফএক্স প্রযুক্তির পাশাপাশি থাকছে অটো কন্ট্রোল মোশন ট্রাকিং, মোশন ক্যাপচার, থ্রিডি ফেস ক্লোনিং ও কম্পিউটার গ্রাফিকসের কাজ।

গণমাধ্যমটির পরিচালক (অনুষ্ঠান ও পরিকল্পনা) জগদীশ এষ বলেন, ‘বিটিভির একটা ঐতিহ্যই হচ্ছে নাটক, যা পরিবারের সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে বসে দেখা হতো। আমরা সেই ঐতিহ্যের পাশাপাশি দর্শককে আবার নাটকে ফিরিয়ে আনতে চাই। দর্শককে আগের মতো বিটিভির নাটকে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যেই নতুন আঙ্গিকে আসতে চলেছে হীরামন। বিটিভিতে একসময় দারুণ জনপ্রিয় ছিল “হীরামন”। অন্য অনেক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ভিন্ন ধারার এই অনুষ্ঠানটিও দর্শকদের কাছাকাছি পৌঁছেছিল। এবার ফ্যান্টাসি গল্পের রিয়েল স্বাদ দিতে দৃশ্য ধারণের ক্ষেত্রে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিও ব্যবহার করা হচ্ছে। আশা করছি, দর্শকদের কাছে নতুন এই হীরামন উপভোগ্য হবে।’

ঢাকা কেন্দ্রের মহাব্যবস্থাপক নাসির মাহমুদ বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের সংস্কৃতি থেকে লোককাহিনিগুলো ক্রমে হারিয়ে যেতে বসেছে। এ প্রজন্মের বেশির ভাগের কাছেই অজানা এসব প্রাচীন গল্পগাথা।

সেই হারিয়ে যেতে থাকা লোকজ সংস্কৃতিকে এ প্রজন্মের দর্শকদের কাছে তুলে ধরতেই ‘হীরামন’কে নতুন আঙ্গিকে ফিরিয়ে আনতে চলেছে বিটিভি। আমাদের এই সংস্কৃতির অংশকে আমরা এবার আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে উপস্থাপন করে এ প্রজন্মের দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চাই। তাতে বাইরের সংস্কৃতি থেকে আসা কন্টেটের ওপর এ দেশের দর্শকদের নির্ভরতা কমবে বলে আমরা মনে করি।’