বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

এই অভিনেতা বিভিন্ন সময় দেখেছেন, শিল্পের মানুষেরা জীবিত শিল্পী বা অন্য পেশার গুণীদের ভালোবাসা দিতে কার্পণ্য করেন। অনেক সময় তাঁরা সামনাসামনি ভালোবাসা দেখান, কিন্তু পেছনে স্বীকার করেন না। আবার মারা গেলে গলা উঁচু করে তাঁদের প্রশংসায় ব্যস্ত হন। কচি খন্দকার বলেন, ‘এই ক্ষেত্রে আমার বউ সব সময় সূক্ষ্ম মূল্যায়ন করে। বউয়ের মূল্যায়নটাই জরুরি, প্রয়োজনীয়। সে আমার সম্পর্কে সব জানে। আমি কোনো কিছু লিখেই তাকে দেখাই। তার উৎসাহ না থাকলে বুঝতে পারি, এটা পরিবর্তন করা দরকার। তার খুশি থাকাটা আমার কাছে গুরত্বপূর্ণ।’

default-image

কচি খন্দকার মনে করেন, তিনি যে কাজগুলো করেছেন তা কিছুটা ব্যতিক্রম। তাঁর লেখা ‘ক্যারাম’, ‘কবি’, ‘বাইসাইকেল’, ‘ভূগোল’ নাটকগুলোর কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘টেলিভিশন ও থিয়েটারে এমন অনেক ভালো কাজ আছে, যেগুলো নতুন ধারণার জন্ম দেয়। আমার নির্মাণ, গল্প লেখার প্যাটার্ন, ভালো চরিত্রের কাজ নিয়ে কেউ কথা বলেন না। কিন্তু কিছু মানুষ কমেডি কাজগুলো নিয়ে আমাকে হালকা করার চেষ্টা করেন। এগুলো সূক্ষ্মভাবে দেখতে গেলে মনে হয় আমি রাজনীতির শিকার। ভারতে শিল্পী–কলাকুশলীদের সম্মান করে, আমরা পারি না। তবে অভিনেতা মোশাররফ করিম, নির্মাতা আশুতোষ সুজন, শরাফ আহমেদ, রেদওয়ান রনিসহ অনেকেই আমাকে খুশি করার জন্য কিছু বলেন না। আজ মাশরাফি বিন মুর্তজাসহ অনেক নির্মাতা জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। এসব ভালোবাসা পাওয়ার পর বাকিটা নিয়ে আফসোস করি না।’

default-image

বর্তমানে কচি খন্দকার ধারাবাহিক ‘হাউস নাম্বার ৯৬’ এবং কিছু একক নাটক নিয়ে ব্যস্ত। তিনি বলেন, ‘এখন নাটকে অভিনয়ে আগ্রহ পাই না। চরিত্রের কোনো ভ্যারিয়েশন নেই। নাটক ও সিনেমা নির্মাণেই ব্যস্ত হচ্ছি।’

টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন