default-image

করোনা নেগেটিভ হয়ে বাবার কাছে ফিরলেন অভিনেত্রী আফসানা মিমি। গত মাসে করোনায় আক্রান্ত হয়ে বাসায় হোম কোয়ারেন্টিনে ছিলেন তিনি। সেই সময় বয়স্ক বাবার জন্য ছিলেন বেশি চিন্তিত। চিন্তিত ছিলেন, যেন বাসার লোকদের মধ্যে আবার করোনা ছড়িয়ে না যায়! পরে শারীরিক জটিলতা দেখা দিলে পরিবারের সবার কথা ভেবে রিপোর্ট পাওয়ার ছয় দিন পরে হাসপাতালে ভর্তি হন মিমি।

হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ১৭ দিনের মাথায় আফসানা মিমি করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট হাতে পান। তারপরও চিকিৎসকদের পরামর্শে দুই দিন হাসপাতালে ছিলেন। সম্প্রতি তিনি বাসায় ফিরেছেন। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন আফসানা মিমির সুহৃদ নাট্যকার ও নির্মাতা নজরুল সৈয়দ। তিনি ২৫ বছর ধরে আফসানা মিমির সঙ্গে কাজ করেন। তাঁর লেখা ‘বন্ধন’, ‘কাছের মানুষ’, ‘ডলস হাউস’, ‘সাড়ে তিন তলা’, ‘সাতটি তারার তিমির’সহ অনেক নাটক পরিচালনা করেছেন মিমি। নজরুল বলেন, ‘আফসানা মিমি এখন আগের চেয়ে ভালো আছেন। আপাতত বাসায় পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন। হাসপাতাল থেকে আসার পরে শারীরিক দুর্বলতা ছিল। এখন পুরোপুরি সুস্থ। চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে চলছেন।’

বিজ্ঞাপন

এদিকে আফসানা মিমির পরিচালনায় একটি ধারাবাহিক নাটক বিটিভিতে প্রচার হচ্ছে। পরিস্থিতি বুঝেই আবারও তিনি কাজে ব্যস্ত হবেন।

default-image

প্রায় ২৪ দিন এই অভিনেত্রীকে করোনার সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তির সময় নজরুলের মাধ্যমে খুদে বার্তায় গণমাধ্যমকে উদ্দেশ করে আফসানা মিমি লিখেছেন, ‘আমার বাবার বয়স ৮৪ বছর। বাবা আমার জন্য আর কত দিন ঘরবন্দী থাকবেন। এই বয়সে বাবার একটু হাঁটাচলা করা দরকার। আমার কারণে সেটা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়। এই মুহূর্তে ঝুঁকি নিতে চাই না। পরিবারের সবার কথা ভেবে আমি নিজেই আজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। পরিবারের সবাই ভালো থাকলে আমিও সুস্থ হয়ে উঠব।’

default-image

কিছুটা কাশি ও হালকা জ্বর বোধ করায় গত ২৪ মার্চ তিনি করোনার নমুনা পরীক্ষা করান। ২৫ মার্চ জানতে পারেন, তিনি করোনায় আক্রান্ত। বিনোদনজগতে মিমির পথচলা তিন দশকের বেশি সময়। অভিনয়ে তাঁর অভিষেক হয়েছিল মঞ্চের মাধ্যমে। ১৯৮৬ সালে ব্যতিক্রম নাট্যগোষ্ঠীর হয়ে প্রথম মঞ্চে ওঠেন তিনি। প্রয়াত নাট্যব্যক্তিত্ব আবদুল্লাহ আল-মামুনের ‘জিরো পয়েন্ট’ নাটকের মাধ্যমে ছোট পর্দায় প্রথম অভিনয় করেন।

বিজ্ঞাপন
টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন