বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

মামুনুল হক বলেন, ‘আমাদের কমন সার্কেলের মাধ্যমে পরিচয়। কিন্তু আমরা কিছুটা সময় নিয়েছিলাম। দুজনকে বোঝার জন্য এই সময়টা দরকার ছিল। এর মধ্যে আমাদের ভালো লাগা, কিছুটা মান–অভিমানও হয়েছে। পরে বুঝতে পারলাম হাবিবার মধ্যে শ্রদ্ধা করার মতো অনেক কিছু আছে। তিনি শিক্ষকতা করেন। এই পেশাটাও আমার অনেক পছন্দ। আগে বুঝলে শিক্ষকই হতাম। আমি বলব, হাবিবার সততা, সরলতা আমাকে মুগ্ধ করেছে। তার সিম্পলিসিটির কারণেই মনে হয়েছে আমাদের বিয়ে হতে পারে। কিন্তু বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরেই শুরু হয় করোনা। দুবার বিয়ে পিছিয়ে যায়। আমরা বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হতে পেরে খুশি।’

default-image

দীর্ঘদিনের পরিচয়। স্ত্রীকে প্রথম কি উপহার দিয়েছিলেন? ‘এইবারই তো ভাই বিপদে ফেলে দিলেন। স্ত্রীকে দিচ্ছি তার সঙ্গে কথা বলেন।’ ফোনের ওপাশ থেকে হাবিবা রহমান বলেন, ‘বন্ধুদের মাধ্যমেই পরিচয়। কিন্তু সেভাবে যে সব সময় যোগাযোগ হতো বা কথা হতো, তেমন নয়। তিনি (মামুনুল হক) ভীষণ চুজি মানুষ। একবার ঈদে আমাকে একটি শাড়ি উপহার দিয়েছিলেন। এটাই ছিল তাঁর কাছ থেকে আমার পাওয়া প্রথম উপহার। সেটা ভীষণ পছন্দ হয়েছিল।’ কথাগুলো বলেই হাসতে থাকেন হাবিবা।

কেন মনে হলো মামুনুল হককে বিয়ে করা যায়? ‘মামুনুল যে কাজই করেন, অনেক মনোযোগ দিয়ে করেন। আমার মনে হয়েছে, মানুষ হিসেবে ওনার সঙ্গে থাকা যায়। কারণ, উনি খুব সংবেদনশীল একজন মানুষ, খুব শৌখিন, তাঁর আরও কিছু বিষয় ইউনিক মনে হওয়ায় বিয়ের সিদ্ধান্ত নেই। আমাদের জন্য সবার কাছে দোয়া চাই। আমরা যেন সুখী হতে পারি,’ কথাগুলো বলেন হাবিবা।

default-image

করোনার কারণে এখনো মধুচন্দ্রিমায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি তাঁরা। মামুনুল জানালেন, ইচ্ছে আছে আসছে শীতে সুন্দরবন ঘুরে আসবেন।

মামুনুল হকের প্রথম নাটক আনিসুল হক রচিত ও মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত ‘চড়ুইভাতি’ (২০০২)। নতুন ধারার সাহসী এই নাটকের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা পান মামুনুল। ২০০৭ সাল পর্যন্ত ১২টির মতো নাটকে অভিনয় করেছিলেন। ভালো গল্প পেলে এখনো অভিনয় করতে চান। সম্প্রতি ‘পাতালঘর’ নামে একটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। বর্তমানে তিনি ইউনিসেফ–এ কর্মরত।

টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন