default-image

গতকাল শুক্রবার রাতে নুসরাত ইমরোজ তিশা তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুকে লেখেন, ‘প্রিয় ভাইবোনেরা, কয় দিন ধরে দেখছি, আমার নামে খোলা একটা ফেক পেজ থেকে আমার আর ফারুকীর ছবি দিয়ে একটা বানোয়াট স্ট্যাটাস শেয়ার হচ্ছে। করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার পর আমার আর ফারুকীর একটা ছবি আমি শেয়ার করেছিলাম। সেই ছবিটা চুরি করে তার সঙ্গে মনের মাধুরী মিশিয়ে একটা স্ট্যাটাস লেখেন ওই ফেক পেজের অ্যাডমিন! “সুন্দর পুরুষের চেয়ে দায়িত্বশীল পুরুষ ভালো” টাইপের কিছু একটা। গত কয় দিনে অনেকেই শেয়ার করেন। আজকে দেখি সেই স্ট্যাটাস থেকে পত্রিকায় নিউজও হয়ে গেছে। আমি এই ফেক স্ট্যাটাসের জন্য খুবই বিরক্ত। কারণ, আমার চোখে আমার হাজব্যান্ড দায়িত্বশীল তো বটেই, খুব সুন্দরও। প্রিয় ভাইবোনেরা, দয়া করে ওই ফেক পেজকে রিপোর্ট করলে আমি খুবই খুশি হব! আর সাংবাদিক ভাইবোনেরা, দয়া করে চেক করে নেবেন আমার নামে যে কথা প্রচার হচ্ছে, সেটা আমার ভেরিফায়েড পেজ থেকে শেয়ার করা হয়েছে কি না।’

default-image

তিন দিন আগে ‘নসুরাত ইমরোজ তিশা’ নামের একটি ভুয়া ফেসবুক পেজ থেকে ফারুকী–তিশার ছবিসহ একটি পোস্ট করা হয়। সেই পোস্টে লেখা ছিল অনেকটা এ রকম, ‘একজন সুন্দর পুরুষের থেকে, জীবনে একজন দায়িত্বশীল পুরুষ বেশি সুন্দর হয়। কারণ, এই মানুষটা জানে কীভাবে প্রিয় মানুষটাকে যত্ন করে আগলে রাখতে হয়! কীভাবে অপর পাশের মানুষটাকে সম্মান দিয়ে হয়, অপর পাশের মানুষটা দেখতে যেমনই হোক না কেন, কালো, খাটো, নাক বোঁচা? এই নিয়ে কখনো চোখে চোখ রেখে প্রশ্ন করবে না অন্তত!

default-image

কারণ, তারা জানে সৌন্দর্য সারা জীবন থাকে না মানুষের! তারা প্রিয় মানুষটার মনটাকে ভালোবাসে সব সময় তার মায়াতে আচ্ছন্ন হয়ে। একটা মেয়ে যখন পরিবার–বন্ধুবান্ধব সব রেখে চলে যায় নতুন এক পরিবেশে, তখন সে ভেতরে-ভেতরে খুব একাকিত্ব অনুভব করে, কাউকে কিছু বলতে পারে না! ঠিক তখন যদি প্রিয় মানুষটা মানসিক শান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়, সাপোর্ট দেয়, তখন মনে হয় কষ্ট বলতে কিছু নেই দিন শেষে। একটা সুন্দর পুরুষের থেকে একজন দায়িত্বশীল পুরুষ মানুষ বেশি দামি। কারণ, টাকা আর সৌন্দর্য দিয়ে তো অনন্তপক্ষে সুখ পাওয়া যায় না! আপনি যখন ফুটপাত দিয়ে হেঁটে চলেন, মানুষটা আপনাকে বাম দিকে রাখে কেন জানেন? পেছনের শো শো করে আসা গাড়িগুলো জানি এসে আপনাকে আঘাত না করতে পারে। আপনার থেকে সে প্রিয় মানুষটা আপনাকে বেশি ভালোবাসে হারানোর ভয় করে।’

টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন