বিজ্ঞাপন

গল্পে দেখা যাবে তিনজন প্রবীণ বন্ধুকে। তাদের ইচ্ছা শৈশবের মতো একসঙ্গে হইচই করবেন। কিন্তু তাদের পরিবার থেকে কিছু বাধা আসে। আবুল হায়াত বলেন, ‘অভিনয় করে আরাম পাচ্ছি। এভাবে কাজ করে গেলে মনের শান্তি ফিরবে। সবার সঙ্গে দূরত্ব বজায় রেখে আড্ডা, কিছুটা আলোচনা হচ্ছে। আবারও শুটিংয়ের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছি। কিন্তু কিছু প্রোডাকশনের ছেলে সচেতনতা বুঝতে চায় না। তারা মাস্ক থুতনিতে রাখছে, কখনো গলায় রাখছে। নিয়মের তোয়াক্কা করছে না। এটা দেখে কিছুটা খারাপ লাগছে।’

এই অভিনেতা বলেন, ‘দীর্ঘদিন একটা স্থবির অবস্থার মধ্য দিয়ে গেছে। কোনোভাবেই মানসিকভাবে শান্তি পাচ্ছিলাম না। মাঝেমধ্যে মনে হতো বার্ধক্য ধরে ফেলছে। তা ছাড়া করোনা নেগেটিভ হওয়ার পরে দীর্ঘদিন মনে জোর পাচ্ছিলাম না। এ মাসেই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে অভিনয়ে ফেরার সিদ্ধান্ত নিই। এখন কাজের মধ্যে রয়েছি, তাই ভালো লাগছে। এখন থেকে নিয়মিত কাজ করে যেতে চাই। এ ব্যাপারে আমার পরিবার খুবই সহযোগিতা করছে।’

এবারে ফেরাটা আবুল হায়াতের জন্য অন্য রকম। নাটকে তাঁর সহশিল্পী মামুনুর রশীদ ও ফজলুর রহমান বাবু। তাঁদের একসঙ্গে খুব বেশি নাটকে দেখা যায়নি। যদিও শুধু মামুনুর রশীদের সঙ্গে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে সর্বশেষ ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। অন্যদিকে ফজলুর রহমান বাবুর সঙ্গে কত দিন পরে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছেন, সেটা মনে করতে পারলেন না এ অভিনেতা।

default-image

আবুল হায়াত বলেন, ‘এখনো খুব বেশি নাটকে একসঙ্গে দক্ষ বা আমাদের সমসাময়িক অভিনয়শিল্পীদের পাওয়া যায় না। সবাই অভিনয়ে দক্ষ হলেই কাজে আলাদা একটি শক্তি থাকে। তা ছাড়া গল্প আমাদের তিনজনকে নিয়েই। এখন তো প্রবীণদের নিয়ে তেমন গল্প হয়ই না। গল্প শুনে আর না করতে পারিনি।’

‘বাবা তোমাকে ভালোবাসি’ নাটকটিতে বিশেষ একটি চরিত্রে আবুল হায়াতের মেয়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তাসনিয়া ফারিণ। নাটকটি পরিচালনা করেছেন প্রবীর রায় চৌধুরী। উত্তরার ও দিয়াবাড়িতে ১১ জুন থেকে নাটকের শুটিং শুরু হয়েছে।

টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন