বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

শীতকাল। একটি অনুষ্ঠানে ছবিটি তোলা হয়েছিল। আজকের মতো ক্যামেরা তখন সহজলভ্য ছিল না। ছবি ওঠানোর জন্য এই অভিনেত্রীর বাবা আগে থেকেই ক্যামেরা প্রস্তুত করে রাখতেন।

default-image

মাইক্রোফোনের স্ট্যান্ডটি হয়তো আর বড় করার উপায় ছিল না। তাই উঁচু করতে রাখা হয়েছে হারমোনিয়ামের ওপর। মাইক্রোফোনে মুখ। এই অভিনেত্রী বললেন, ‘গান ও আবৃত্তিতে পারদর্শী ছিলাম। সেদিন হয়তো কাজী নজরুল ইসলামের “কাঠবিড়ালি” কবিতাটি আবৃত্তি করছিলাম।’

default-image

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সূর্যমুখী কিন্ডারগার্টেনের বিচিত্রা অনুষ্ঠানে মমের নাচ।

default-image

পরিবারের ইচ্ছাতেই সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হন মম। নিজেরও পছন্দ ছিল। হারমোনিয়ামে গান করছেন জাকিয়া বারী মম।

default-image

তখন হয়তো পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। তবে নির্দিষ্ট করে বলতে পারলেন না মম।

default-image

১৯৯৩ সালে স্কুলের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সহপাঠীদের সঙ্গে মমের নাচ।

default-image

একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের নাচে মম। অভিনয়ে আসবেন, তখন কি ইচ্ছা ছিল? মম বলেন, ‘তখন ভালো লাগা থেকেই পরিবারের ইচ্ছায় সংস্কৃতিচর্চায় জড়িত ছিলাম। কিন্তু অভিনয় করব, এমন চিন্তার বয়স সেটা ছিল না।’

default-image

স্কুলের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে দুই হাত উঁচিয়ে কবিতা আবৃত্তি করছেন মম।

default-image

বাসার মধ্যে একটি ফুল গাছের টবের কাছে দাঁড়িয়ে মম। তাঁর কাছে জানতে চাই—কবে মনে হলো অভিনয় করবেন? ‘বড় হওয়ার পর মনে হলো, যেহেতু সংস্কৃতি অঙ্গনে বিচরণ ছিল, অভিনয়টা করি। তখন অভিনয় শিখতে থাকি। এখনো শিখছি।’

টেলিভিশন থেকে আরও দেখুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন