বিজ্ঞাপন

তাঁর মেয়ে কোয়েল জানালেন, ‘এফডিসিতে একবার রাজ্জাক আংকেলের (নায়করাজ রাজ্জাক) সন্তানদের সঙ্গে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছিল। এটা শুনে বাবা খুবই মর্মাহত হন। এর বাইরে এফডিসিতে নানান কর্মকাণ্ডে কষ্ট পেয়েছিলেন। প্রকৃত শিল্পীদের মূল্যায়ন হতো না। এফডিসির পরিবেশটাও পছন্দ হচ্ছিল না। এফডিসিতে ঘটে যাওয়া আরও অনেক ঘটনায় বাবা কষ্ট পেয়েছিলেন। তাই তিনি আমাদের বলেছিলেন, তাঁর মরদেহ যেন এফডিসিতে নেওয়া না হয়। আমরাও বাবার চাওয়াটাই পূরণ করতে চেয়েছি।’

default-image

পাঁচ ভাই ও তিন বোনের মধ্যে শামসুজ্জামান ছিলেন সবার বড়। এ টি এম শামসুজ্জামানের চলচ্চিত্রজীবনের শুরু ১৯৬১ সালে পরিচালক উদয়ন চৌধুরীর ‘বিষকন্যা’ চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে। প্রথম কাহিনি ও চিত্রনাট্য লিখেছেন ‘জলছবি’ চলচ্চিত্রের জন্য।

default-image

ছবির পরিচালক ছিলেন নারায়ণ ঘোষ মিতা, এ ছবির মাধ্যমেই অভিনেতা ফারুকের চলচ্চিত্রে অভিষেক। এ পর্যন্ত শতাধিক চিত্রনাট্য ও কাহিনি লিখেছেন। প্রথম দিকে কৌতুকাভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্রজীবন শুরু করেন তিনি। অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র পর্দায় আগমন ১৯৬৫ সালের দিকে।

টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন