বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

রেজওয়ান মহসিন বলেন, ‘বাবার ফুসফুস ভীষণভাবে সংক্রমিত হয়। কয়েক দফা সিটিস্ক্যান করানো হয়েছিল। বারবার প্লাজমা দেওয়া হয়েছে। প্রচুর অক্সিজেন প্রয়োজন হচ্ছিল। শেষ দুদিন বাবার অবস্থার ভীষণ অবনতি হয়। আজ আমাদের এতিম করে বাবা চলে গেলেন।’

এস এম মহসিন প্রায় চার দশক ধরে মঞ্চ ও টেলিভিশনে অভিনয় করেছেন। শিল্পকলায় (অভিনয়) অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২০ সালে তাঁকে একুশে পদকে ভূষিত করে বাংলাদেশ সরকার। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরমেন্স স্টাডিজ বিভাগে শিক্ষকতা করেছেন। তিনি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন। এস এম মহসিনের ছেলে রেজওয়ান জানান, তাঁর বাবা টাঙ্গাইল অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। তবে নানা অভিমানে কখনো মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সার্টিফিকেট নিতে চাননি। তবে শেষ বয়সে সরকারের পক্ষ থেকে তাঁকে মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।

default-image

এস এম মহসিন ভারতের দিল্লির ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামায় (এনএসডি) পড়াশোনা করেছেন। তিনি আতিকুল হক চৌধুরী পরিচালিত ‘রক্তে ভেজা’ ও ‘কবর’ এবং মুনীর চৌধুরী পরিচালিত ‘চিঠি’ ছাড়াও বহু টিভি, মঞ্চ ও রেডিও নাটকে অভিনয় করেছেন। ২০১৮ সালে বাংলা একাডেমির সম্মানিত ফেলোশিপ লাভ করেন তিনি। কর্মের স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন শিল্পকলা পদকসহ বেশ কিছু পুরস্কার ও সম্মাননা।

টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন