বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

৫৪ বছরের বন্ধু ও সহযাত্রীকে শেষবিদায় জানাতে শহীদ মিনারে এসেছিলেন আবুল হায়াত। গতকাল রূপগঞ্জ থেকে ঢাকায় ফেরার পথে ইনামুল হকের মৃত্যুসংবাদ পান তিনি। ঢাকায় ফিরতে ফিরতে শিল্পকলা একাডেমির আনুষ্ঠানিকতাও শেষ হয়ে যায়। তাই আজ শহীদ মিনারে হাজির হয়েছিলেন। বন্ধুর কফিনে ফুল দিতে গিয়ে কান্না চেপে রাখতে পারলেন না। পাশে এসে বাবাকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করলেন মেয়ে নাতাশা হায়াত। কিন্তু হলো না। অঝোরে কাঁদতে লাগলেন। সংবাদকর্মীদের শুধুই এটুকুই বললেন, ‘এ যেন মৃত্যুর মিছিল। আর পারছি না। কিছুই বলার নেই।’

default-image

শহীদ মিনারে বাবার স্মৃতিচারণা করে হৃদি হক বলেন, ‘বাবার ভাবনায়, চিন্তায়, চেতনায় ছিল বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের মানুষ। এর বাইরে কিছুই ভাবেননি। সারা জীবন নাটক, থিয়েটার, শিল্পচর্চা নিয়েই ছিলেন। সেই গণ-আন্দোলনের সময় থেকে শেষ দিন পর্যন্ত বাবা অনুবাদের কাজ করে গেছেন।’
ইনামুল হককে শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনারে এসেছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, ঢাকা দক্ষিণের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মোহাম্মদ আখতারুজ্জামানসহ মন্ত্রী ও সাংসদেরা। ছিলেন নাসির উদ্দীন ইউসুফ, কাওসার চৌধুরী, শাহনাজ খুশী, বৃন্দাবন দাস, মীর সাব্বির, ফারুক আহমেদ, সাজ্জাদ রহমান, অরণ্য আনোয়ার, পিকলু চৌধুরী, তানজিকা আমিন, কামরুজ্জামান রনি।

default-image

গতকাল বিকেল চারটায় বেইলি রোডের বাসায় বিশ্রামরত অবস্থায় মারা যান ইনামুল হক। স্ত্রী লাকী ইনাম ও দুই মেয়ে হৃদি হক আর প্রৈতি হককে রেখে গেছেন ইনামুল হক।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ইনামুল হকের জন্ম ১৯৪৩ সালের ২৯ মে ফেনী সদর উপজেলার মোটবী ইউনিয়নে। তাঁর বাবা ওবায়দুল হক ও মা রাজিয়া খাতুন।

টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন