বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

মৌসুমী বলেন, ‘ইট–পাথরের এই শহুরে জীবন চেয়েছিলাম কি না, জানি না। ঘ্রাণহীন একটি জীবন যাপন করছি। যে জীবনের রং নেই। সম্পর্কগুলো অনেকটাই ফিকে। এখানে আমরা বেশির ভাগ মানুষই এক্সপেকটেশন ছাড়া সম্পর্ক করতে পারি না। টিকে থাকতে রেসের ঘোড়ার মতো একটি জীবন যাপন করছি। পেছনে তাকালে এখনো অতীতটা আমার মধ্যে জেগে ওঠে। জীবনানন্দ দাশের “যে জীবন ফড়িঙের, দোয়েলের—মানুষের সাথে তার হয় নাকো দেখা” লাইনগুলো আমার ভীষণ পছন্দের। আমি চেষ্টা করি, আমার আমি হতে।’

default-image

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে কখনো টিকে থাকার দৌড়ে শামিল হননি। তাঁর ভাষায়, নিজেকে আটকে রেখেছেন। কাউকে যেচে বলতে পারেননি, ‘আমাকে কাজ দিন।’ জানতেন, মেধা–শ্রম থাকলে সফল হওয়া যায়। অপেক্ষা করেছেন ভালো চরিত্রের। অভিনয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন। সময় যেমন ভালো গেছে, তেমনি দুঃসময়ও মোকাবিলা করেছেন। মৌসুমী বলেন, ‘কাজ করতে গিয়ে বিভিন্ন সময় বাজে পলিটিকসের মুখোমুখি হয়েছি। এটা মিডিয়াতে অহরহ হচ্ছে। সব সময় ভেবেছি, আমার সঙ্গেও হবে। সেটা যখন হয়, তখন আমি আপসেট হইনি। কখনো ভেঙে পড়িনি। সব সময় চেষ্টা করেছি অতীতকে ভুলে, কখনো নিজেকে পরিবর্তন করে সামনে এগিয়ে যেতে। অতীত নিয়ে আমার কোনো দুঃখবোধ নেই। সব সময় আমি এটাই ভাবি, ক্যারিয়ারে ভালো কাজ করতে হবে। আমি খুশি যে আমার ঝুলিতে অনেক ভালো কাজ আছে।’

default-image

পেছনে তাকালে মনে হয় কোনো ভুল করেছিলেন? ‘ক্যারিয়ারে আমার অনেক ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। সেগুলো নিয়ে মোটেও চিন্তা করি না। আমি সব সময় বর্তমান নিয়ে ভাবি। কীভাবে আজকের দিনটি চলব। ভুল নিয়ে পড়ে থাকি না। আমি ক্যারিয়ার নিয়ে খুশি। মিডিয়ার কেউ আমাকে চিনতেন না। একা এসে কাজ শুরু করেছি। ভারতে গিয়ে দীর্ঘদিন শুটিং করেছি। দর্শক আমার অভিনয় পছন্দ করেন। সৎ থাকার চেষ্টা করি। পরিবারের মানুষগুলো আমাকে ভালোবাসেন। এগুলো একজনের ভালো থাকার জন্য অনেক বড় কিছু।’
জন্মদিনটি নিয়ে মৌসুমীর তেমন কোনো আগ্রহ থাকে না। তবে কাছের কিছু বন্ধুদের নিয়ে আজকের দিনটা টাঙ্গাইলে নিরিবিলি কাটাবেন। দিনটি বন্ধুদের পক্ষ থেকে সারপ্রাইজ। কত সালে জন্ম, এবার কত বছরে পরলেন, এমন প্রশ্ন শুনে বললেন, ‘সালটা উল্লেখ করার দরকার নেই। আমি এখনো ষোড়শী।’

টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন