default-image

১১ ফেব্রুয়ারি। রাজধানীর স্টার সিনেপ্লেক্স। এয়ারটেলের ১০ নম্বর টেলিছবি মাংকি বিজনেস-এর উদ্বোধনী প্রদর্শনী হচ্ছে এখানে। টেলিছবির প্রায় সব শিল্পী আর কলাকুশলী উপস্থিত। তখনো প্রদর্শনী শুরু হয়নি। অনেকেই নিজেদের মুঠোফোনে সেলফি তোলায় ব্যস্ত। শুধু একজন ক্যামেরা হাতে আলোকচিত্রীর ভূমিকা পালন করছেন। তিনি ইরেশ যাকের। ছবি তোলা তাঁর অন্যতম শখ। অভিনয় আর অফিসের পাশাপাশি ছবি তোলার কাজ তিনি নিয়মিতই করছেন। কথা প্রসঙ্গে জানালেন, এই শখকেই নাকি এখন বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাই তো যেখানেই যান, তাঁর সঙ্গে থাকে ক্যামেরা।
সিনেপ্লেক্সের প্রদর্শনীকক্ষের বাইরে তাঁর সঙ্গে আড্ডা জমে যায়। জানালেন, স্থিরচিত্রের মধ্যদিয়ে তিনি নানা গল্প বলার চেষ্টা করেন।
মানুষের হাসি তাঁর খুব ভালো লাগে। এই হাসির পেছনে তাদের জীবনের গল্প লুকিয়ে থাকে। আর এই গল্পই তিনি তাঁর ক্যামেরায় বন্দী করে রাখেন। সাধারণ মানুষের হাসি, কান্না আর জীবনযাপনের গল্প ফুটিয়ে তোলেন ক্লিক ক্লিক শব্দে।
নিজের তোলা আলোকচিত্র নিয়ে প্রদর্শনীর পরিকল্পনা করছেন ইরেশ। বললেন, ‘অনেক তো অভিনয় হলো, অনেক খ্যাতি হলো; এবার আমার শখের বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি। যেহেতু প্রদর্শনীর কথা ভাবছি, তাই এ বছর ছবি তোলার পেছনে বেশি সময় দিচ্ছি।’
তাহলে ইরেশের অভিনয়প্রেমীদের কী হতাশ হতে হবে? ইরেশ বললেন, ‘ভালো গল্প পেলে অবশ্যই অভিনয় করব। সময়ের সঙ্গে প্রযুক্তির তো পরিবর্তন হবেই। কিন্তু শুধু প্রযুক্তি দিয়ে সফল হওয়া যায় না। একমাত্র ভালো গল্পই দর্শকদের মন জয় করতে পারে। গল্প ভালো না হলে অভিনয় করেও তৃপ্তি পাই না।’
জানালেন, সপ্তাহের বেশির ভাগ সময় অফিসের কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়। তাই ইচ্ছে থাকলেও অভিনয়ে খুব বেশি সময় দিতে পারেন না। এর মাঝেই ভালো কিছু গল্পের নাটকে কাজ করছেন। সামনে ইমরাউল রাফাত পরিচালিত ক্রাইং রুম নাটকে অভিনয় করবেন।
চলচ্চিত্রেও অভিনয় করছেন ইরেশ। চোরাবালির পর সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে জিরো ডিগ্রি। তাঁর সর্বশেষ ছবি ছুঁয়ে দিলে মন মুক্তি পাবে মার্চ মাসে।
বাবা আলী যাকের আর মা সারা যাকের দীর্ঘদিন জড়িত আছেন মঞ্চের সঙ্গেও। সম্প্রতি তাঁর বোন শ্রিয়া সর্বজয়া অভিনয় করেছেন মঞ্চনাটকে।
জানালেন, মঞ্চের প্রতি তাঁরও রয়েছে ভালোবাসা।

বিজ্ঞাপন
টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন