বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

অপর্ণা বলেন, ‘অনেকে পরিকল্পনা করে ঘোরাঘুরির জন্য আলাদা টাকা জমায়। আমি আলাদা করে রাখি না। তবে আমার কাছে টাকা এলেই একটা প্ল্যান করি। টাকাপয়সার ব্যাপারে আমি একদম হিসেবি না। কিন্তু ঘুরতে ভীষণ পছন্দ করি। আমার এক লাখ টাকা জমা হলেই দেখা যায়, নেপাল অথবা ভুটান চলে যাই। আবার কখনো ৩-৪-৫ লাখ টাকা জমা হলো, তখন আমি লন্ডন বা ইউরোপের ট্যুর দিই। টাকা যেভাবে আয় হয়, সেভাবেই চলে প্ল্যান। জামাই যেহেতু জাপানে থাকে, তাই আমার এখন জাপান এক্সপ্লোর করার খুব ইচ্ছা। আবার আমার জামাইসহ সুইজারল্যান্ড ঘুরে বেড়ানোর খুব ইচ্ছা, দুজনেরই খুব পছন্দের দেশ।’

default-image

তবে অপর্ণা জানিয়ে রাখলেন, দেশের মধ্যে তাঁর খুব ভালো লাগে কানাডা। দেশটিতে তাঁর স্থায়ী হতেও ইচ্ছা। চকারিসূত্রে তাঁর স্বামী সত্রাজিৎ দত্ত থাকেন জাপানে, তাঁর মতে, জাপান গেলে নাকি অপর্ণার ভালো লাগবে। অপর্ণা বলেন, ‘জাপানে যাওয়ার জন্য আমার জামাই তো লোভ দেখাচ্ছে। ও তো সারাক্ষণ নানা ধরনের ভিডিও পোস্ট করে। ওর কাছে এমন কোনো ক্যামেরা নাই, যা সংগ্রহে নেই। ওর শখ হচ্ছে, নিত্যনতুন ক্যামেরা সংগ্রহ করা, ভিডিও করা। আমি তো মজা করে ওকে বলি, যে পরিমাণ ক্যামেরা তোমার কাছে আছে, আমি ফিল্মই বানিয়ে ফেলতে পারব।’
এরপর সে বলে, ‘আমার তো খালি একটা মডেল দরকার, যে ক্যামেরার সামনে দিয়ে হেঁটে যাবে (হাসি)।’

default-image

বিয়ে ও সাংসারিক ব্যস্ততার মাঝে কয়েক মাস অভিনয়ে অনিয়মিত ছিলেন অপর্ণা। ১১ অক্টোবরের পর তাঁর শুটিংয়ে ফেরার কথা। এর মধ্যে ‘অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া’ নামে একটি চলচ্চিত্রের শুটিংও বন্ধ আছে। অপর্ণা বলেন, ‘অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া চলচ্চিত্রের শুটিং অনেক দিন ধরে বন্ধ আছে। করোনা ও লকডাউনের জন্য এই চলচ্চিত্রের শুটিং শেষ করতে পারছি না আমরা। আমরা সবাই কাজটি শেষ করতে চাই। বারবার শুটিংয়ের পরিকল্পনা করা হলে করোনা আর লকডাউনের কারণে আমরাও ফেডআপ হয়ে আছি।’

টেলিভিশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন