বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ছবিতে অভিনয় করেছেন ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়, কল্যাণ চট্টোপাধ্যায়, বিপ্লব বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌমিত্র বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ ব্যানার্জি, অনিন্দিতা চ্যাটার্জি, কৃষ্ণা বসু, ইন্দিরা দেবী প্রমুখ। বলা হয়, ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ ষাটের দশকে কলকাতা শহরের অস্থির সময়ের সূক্ষ্ম প্রতিচ্ছবি। এর গল্প সিদ্ধার্থ নামের একজন শিক্ষিত মধ্যবিত্তকে কেন্দ্র করে, যিনি সামাজিক অস্থিরতায় হিমশিম খান। ব্যাপক দুর্নীতি এবং বেকারত্বের মধ্যে বিপ্লবী কর্মী ভাই কিংবা ক্যারিয়ারে ডুবে থাকা বোনের সঙ্গে তাল মেলাতে পারেন না লোকটি। ফটো-নেগেটিভ ফ্ল্যাশব্যাকের মতো কৌশল নিয়ে নিরীক্ষার জন্য কালজয়ী হয়ে আছে সত্যজিৎ রায়ের ছবিটি।

default-image

কান চলচ্চিত্র উৎসবে ধ্রুপদি সিনেমা বিভাগে দেখানো হবে ভারতের মালয়ালম ছবি ‘থাম্পু’ (দ্য সার্কাস টেন্ট)। ভারতের বিশিষ্ট পরিচালক গোবিন্দন অরবিন্দন ১৯৭৮ সালে ছবিটি নির্মাণ করেছিলেন।

এই ছবিটিও ডিজিটালাইজড করে পুনরুজ্জীবিত করা হয়েছে। পরিচালক অরবিন্দ মারা যান ১৯৯১ সালে। তাঁর পরিচালিত ‘থাম্পু’ ছবিটির কাহিনি গড়ে উঠেছে কেরালার একটি গ্রামে সার্কাসের তাঁবু পড়ার ঘটনা নিয়ে আবর্তিত হয়েছে এই ছবির কাহিনি।
এদিকে ভারতের ন্যাশনাল ফিল্ম হেরিটেজ মিশনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সত্যজিৎ রায়ের ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ ছবিটি রেস্টোর বা পুনরুদ্ধার করে ডিজিটালাইজড করেছে।

সেই ছবিটিই এবার প্রদর্শিত হবে আসন্ন কান চলচ্চিত্র উৎসবে। এ ছাড়া এই উৎসবে শৌণক সেনের ‘অল দ্যাট ব্রিদস’ তথ্য চিত্রটিও স্পেশাল স্ক্রিনিং বিভাগে দেখানো হবে। ৯০ মিনিটের তথ্যচিত্রটিতে মহম্মদ সাইদ ও শেহজাদ নামের দুই ভাইয়ের পাখিপ্রেম এবং আঘাতপ্রাপ্ত পাখিদের উদ্ধার করে চিকিৎসা ও পরিচর্যা আর ভালোবাসাকে কেন্দ্র করে ছবির কাহিনি আবর্তিত হয়েছে। শৌণক বলেছেন, ‘দিল্লির ঘোলাটে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে পাখিদের প্রতি ভালোবাসা জন্মে যায়। তারপর দিল্লির আকাশে ওড়া পাখিদের নিয়ে ভাবতে শুরু করি। তারপর একসময় পাখিদের নিয়ে কাজ করি। আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসা দিই। সেই সব স্মৃতি নিয়ে তৈরি হয়েছে ছবিটি।’

বিশ্ব চলচ্চিত্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন