default-image

সত্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে ১৭১৯ সালে ড্যানিয়েল ডিফোর উপন্যাস রবিনসন ক্রুসো। আর রবার্ট এফ হিল রবিনসন ক্রুসো উপন্যাসকে ১৯২২ সালে সিনেমায় রূপান্তর করেছিলেন। স্কটিশ নাবিক আলেক্সান্ডার সেলকার্কের অ্যাডভেঞ্চার কাহিনি নিয়ে রচিত এই উপন্যাসটি। যিনি কয়েক বছর ধরে একটি জনবসতিহীন দ্বীপে আটকা পড়েছিলেন। যত দিন পর্যন্ত না একটি ব্রিটিশ জাহাজ তাঁকে উদ্ধার করে, তত দিন পর্যন্ত একাই বেঁচে থাকতে হয়েছিল দ্বীপে। দ্বীপে তিনি মাছ, ফল এবং বন্য ছাগল খেয়ে বেঁচে ছিলেন। ১৭০৯ সালে যখন তিনি লন্ডনে ফিরে আসেন, তখন তাঁর থেকে গল্পটি শুনে ড্যানিয়েল ডিফো উপন্যাসটি লিখেন।

প্রথম সিনেমাটির কিছুই এখন পাওয়া যায় না। সময়ের পরিক্রমায় সিনেমাটি হারিয়ে গিয়েছে। ছয় ঘণ্টা দৈর্ঘ্যের ধারাবাহিক সিনেমাটি প্রতি সপ্তাহে এক পর্ব করে ১৮টি ভাগে প্রকাশ করা হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রে। প্রতি অংশের ছিল আলাদা শিরোনাম, যেমন ‘দ্য সি রাইডারস’, ‘শিপরেকড’, ‘দ্য ক্যানিবালস ক্যাপটিভস’, ‘হিডেন গোল্ড’, ‘দ্য শিপ অব ডিসপেয়’, ‘ফ্রাইডেস ফেইথ, ‘দ্য সোয়াম্প অব টেরর’, ‘মেরিন্ড’, ‘দ্য জাগুয়ার ট্র্যাপ’, ‘আ প্রিজনার অব দ্য সান’, ‘নো গ্রেটার লাভ’, ‘দ্য আইল্যান্ড অব হ্যাপিনেস’, ‘দ্য সোর্ড অব ক্যারেজ’, ‘দ্য বাকেনিয়ারস’, ‘দ্য জলি রজার’, ‘দ্য আইডলস ব্রিজ’, ‘হোয়েন দ্য হার্ট কলস’ এবং ‘ব্যাক টু দ্য প্রিমেটিভ’।

বিশ্ব চলচ্চিত্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন